তাজা খবর:

কলারোয়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষ,আনছার সদস্য সহ ৫ জন জখম                    রাজশাহী জামায়াতের জেলা আমিরসহ গ্রেফতার ৭২                    প্রধানমন্ত্রী ও জাপা চেয়ারম্যান ভালোবাসেন বলে আমি মহাজোট প্রার্থ                    জাতিকে মেধা শূণ্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল: স্পীকার                    ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল                    ফেনীতে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই সহদোর নিহত                    ট্রেনের ছাদে থাকা যাত্রীদের হার্ডিঞ্জ ব্রীজের সাথে ধাক্কা, নিহত ৩                    কাটাতারের বেড়াটা ছুঁতে দিলো না মাকে....                    নড়াইল-২ আসনে আ`লীগের প্রার্থী মাশরাফি-বিন-মর্তুজার কর্মী সমাবেশ                    সিরাজদিখানে দর্জীর লাশ উদ্ধার, পুলিশ বলছে হত্যাকান্ড                    
  • মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩ পৌষ ১৪২৫

নন্দীগ্রামে আবারো ১৯টি খরের গাদায় আগুন দিল দূর্বৃত্তরা

নন্দীগ্রামে আবারো ১৯টি খরের গাদায় আগুন দিল দূর্বৃত্তরা

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় একরাতে ১৯টি খরের গাদায় আগুন দিল দূর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে ফায়ার

টাকা ছাড়া কাজ হয় না যশোর বিআরটিএ অফিসে

টাকা ছাড়া কাজ হয় না যশোর বিআরটিএ অফিসে

যশোর বিআরটিএ অফিসের দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে। ঘুষ ছাড়া মোটরযান রেজিস্ট্রেশন ও

লক্ষ্মীছড়ি জোনের তত্বাবধানে চক্ষু শিবির ও শীত বস্ত্র বিতরণ

লক্ষ্মীছড়ি জোনের তত্বাবধানে চক্ষু শিবির ও শীত বস্ত্র বিতরণ

সুস্থ্য চোখে দেখি সুন্দর পৃথিবী এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ির জেলার লক্ষ্মীছড়ি জোনের

কাপাসিয়ায় রাজ্জাক বিড়ি কোম্পানির গোডাউনে রহস্যজনক আগুন

কাপাসিয়ায় রাজ্জাক বিড়ি কোম্পানির গোডাউনে রহস্যজনক আগুন

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় রাজ্জাক বিড়ি কোম্পানির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দের জেরে গত রোববার রাতে গোডাউনে

আজ ওয়াহাবি জোর অনুষ্ঠানে জামায়াতের নাশকতার পরিকল্পনা

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) :

09 Aug 2018   08:25:13 PM   Thursday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 আজ ওয়াহাবি জোর অনুষ্ঠানে জামায়াতের নাশকতার পরিকল্পনা

তাবলিগ জামাত; বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের ঈমান, আমল ও নৈতিক উন্নতির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তবে নেতৃত্ব নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই অরাজনৈতিক সংগঠনটির অভ্যন্তরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্রতিষ্ঠা ভারতের দিল্লির নিজামুদ্দিনকে বাদ দিয়ে তাবলিগ জামাতের নিয়ন্ত্রন নিতে চাচ্ছে পাকিস্তানের রাইভেন্ড। নেতৃত্ব নিয়ে এই বিরোধের প্রভাব পরেছে বিশ্ব মুসলমানের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ জমায়েত টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায়। বাংলাদেশে তাবলিগ সাথীদের মধ্যে বিরোধের সুযোগ নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। পরিকল্পনা করছে নাশকতার।
নির্ভরযোগ্য একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, দিল্লির নিজামুদ্দিন মার্কাজ বিরোধী মুরব্বীদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশে প্রচারনায় নেমেছেন পাকিস্তানের রাইভেন্ড মার্কাজের আলেম ও মুরুব্বীরা। তাদের সাথে যোগ হয়েছে হেফাজতে ইসলাম। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সফর করে নিজেদের প্রচারনা চালিয়ে ফতোয়া দিচ্ছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সর্বপ্রথম তারা বরিশাল বিভাগের প্রবেশদ্বার জেলার গৌরনদীকে বেঁছে নেয়। মুফতি নূরুল্লাহ ও মুফতি মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে তারা গৌরনদীতে গণজমায়েত করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সেখানে নাশকতার পরিকল্পনা করছে জামায়াত শিবির ক্যাডাররা। গোয়েন্দা সংস্থার এমনই তথ্যের ভিত্তিত্বে গৌরনদীতে কোন ধরনের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। ফলে গৌরনদীতে ব্যর্থ হয়ে বরিশাল মহানগর হেফাজতে ইসলামীর আমীর ও সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুবের সাথে যোগাযোগ করেন পাকিস্তান মার্কাজের মুরব্বীরা।
সূত্রে আরও জানা গেছে, মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুবের সহযোগীতায় আজ শুক্রবার মাহমুদিয়া মাদ্রাসায় ‘ওয়াহাবি জোর’ নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে রাইভেন্ড মার্কাজ অনুসারী তাবলিগ জামাতের মুরব্বী, সাথী এবং মাদ্রাসার ছাত্ররা অংশগ্রহণ করবেন। তবে এখানেও জামায়াত-শিবিরের নাশকতার আশঙ্কা করছেন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থিতিশীল করতে বড় ধরনের নাশকতা ঘটাতে পারে জামায়াত-শিবির। কারণ জামায়াতে ইসলামি বরাবরই তাবলীগ জামায়াত বিরোধী। তাই তারা এক ঢিলে দুই পাখি শিকারে নামতে পারে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মাহমুদিয়া মাদ্রাসা এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তাবলীগ জামাতে বিরোধের নেপথ্যে ॥ ১৯২২ সালে ভারতের দিল্লির নিজামুদ্দিনে মাওলানা ইলিয়াস (রহ.) এর নেতৃত্বে তাবলিগ জামাতের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সেখানেই তাবলিগ জামাতের মূল মার্কাজ স্থাপিত হয়। তবে ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত-পাকিস্তান ভাগ হয়। ধর্মের ভিত্তিতে এভাবে দেশ ভাগ হওয়ার বিষয়টি তৎকালীন আলেমদের বড় একটি দল সমর্থন করেননি। দারুল উলুম দেওবন্দের তৎকালীন শাইখুল হাদিস সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রহ.) সহ অধিকাংশ দেওবন্দি আলেম দ্বিজাতিতত্ত্বের ঘোরবিরোধী ছিলেন। পাকিস্তান রাষ্ট্র হওয়ার পর বেশিরভাগ মুসলমান পাকিস্তান চলে যাওয়ায় অনেকের ইচ্ছে ছিল তাবলিগের মূল মার্কাজ ভারত থেকে পাকিস্তান সরিয়ে নেয়ার। এ উদ্দেশে লাহোরের রাইভেন্ডে বড় জায়গা দেখে মার্কাজও বানানো হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তাবলিগ জামাতের তৎকালীন হযরতজি মাওলানা ইউসুফ (রহ.)। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতারাও তাকে এ বিষয়ে অনেক অনুরোধ করেছিলেন। তবে এ বিষয়ে তিনি ভারতবর্ষের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সাথে পরামর্শ করলে, সবাই তাবলিগের মূল মার্কাজ পাকিস্তানে স্থানান্তরিত করার বিপক্ষে মত দেন। ফলে তাবলিগের মূল মার্কাজ নিজামুদ্দিনেই থেকে যায়। ওই বৈঠকে সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানি (রহ.), শাইখুল হাদিস জাকারিয়া (রহ.) ও মাওলানা আবদুল কাদের রায়পুরী (রহ.) সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। তাবলিগের ইতিহাসে ঐতিহাসিক এ রায় ‘তিন আকাবিরের সিদ্ধান্ত’ বলে প্রসিদ্ধ। এরপর থেকে মূল মার্কাজ দিল্লির নিজামুদ্দিন এবং সহযোগী মার্কাজ পাকিস্তানের রাইভেন্ড ও বাংলাদেশের কাকরাইলের মাধ্যে তাবলিগের মেহনত সারাবিশ্বে সমানতালে চলছিল। তাবলিগের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশে। বিশ্বব্যাপী পরিচালিত এ কাজের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিজামুদ্দিন বা টঙ্গী ইজতেমায় নেয়া হয়। তবে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সূচনালগ্নে মার্কাজ স্থানান্তরিত করতে না পারলেও, তারা থেমে থাকেনি।
১৯৯৫ সালে তৃতীয় হজরতজি মাওলানা এনামুল হাসান (রহ.) ইন্তেকালের সময় তিনজনের হাতে তাবলিগের দায়িত্ব অর্পণ করেন। এরা হলেন-মাওলানা ইজহারুল হাসান, মাওলানা জুবাইরুল হাসান ও মাওলানা সাদ কান্ধলভি। ২০১৪ মাওলানা জুবাইরুল হাসান (রহ.) ইন্তেকালের পর একক জিম্মাদার হিসেবে মাওলানা সাদ রয়েছেন। কিন্তু নিজামুদ্দিন মার্কাজকে যারা শুরু থেকেই মানতে পারেননি তারা মাওলানা সাদকে বিভিন্ন ধরনের অসহযোগিতা শুরু করেন। যার বেশিরভাগই পাকিস্তান রাইভেন্ড মার্কাজের। এরইমধ্যে ২০১৫ সালে রাইভেন্ড ইজতেমায় পাকিস্তানের সাথীরা ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কয়েকজন মুরব্বির একটি তালিকা পেশ করে বলেন, এখন থেকে তাবলিগ জামাতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একটি কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তারা এর নাম দেন ‘আলমী শূরা’। বিশ্বের অন্য দেশের মুরব্বি ও শূরাদের সাথে পরামর্শ এবং মতামত গ্রহণ ছাড়াই তারা এ কমিটি ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভারত, বাংলাদেশসহ অধিকাংশ দেশের শূরাদের আপত্তির কারণে তারা সফল হতে পারেনি। বিষয়টির সমাধান বা পর্যালোচনার জন্য সামনে হজ ও টঙ্গীর ইজতেমা ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের শূরারা হজ থেকেই আলাদা হয়ে যান। প্রতিবছর হজের সময় ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মুরব্বিরা একসাথে থাকতেন। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকে পাকিস্তান ঘোষণা দিয়ে আলাদা হয়ে যায়। এরপর তারা বিভিন্ন দেশে সফর করে নিজামুদ্দিনের বিরোধিতা করা শুরু করেন। তাদের গঠিত আলমী শূরা মেনে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাঁপ প্রয়োগ করতে থাকেন। তখন থেকে অনেক দেশে বিশৃঙ্খলা শুরু হলেও তেমন অসুবিধা হয়নি। কিন্তু ২০১৭ সালে নিজামুদ্দিন থেকে দুইজন মুরব্বি আলমী শূরার সমর্থনে বেরিয়ে যান। এরপর থেকেই তাবলীগ জামাতের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net