তাজা খবর:

চট্টগ্রামে এবার ফুটপাতে পাওয়া গেছে নবজাতককে                    কীর্তনখোলার তীরে বিনোদন প্রেমিদের ভিড়                    গোদাগাড়ী বাসির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এমপি ফারুক চৌধুরী                    মাগুরায় সাকিবের ঈদের নামাজ আদায়                    খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের গুইমারাতে বাস উল্টে মা ও শিশুসহ নিহত ৩                    কুয়াকাটা পায়রা বন্দরসহ তিন সেতুতে পর্যটক-দর্শনার্থীর উপচেপড়া ভিড়                    বগুড়ার পল্লীতে বাঙ্গালী নদী থেকে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার                    গোদাগাড়ীতে যুবক আটক পিস্তল উদ্ধার                    আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ                    দক্ষিন চট্টগ্রামে ৬০গ্রামে ঈদ উৎসব পালিত                    
  • বুধবার, ২৮ জুন ২০১৭, ১৪ আষাঢ় ১৪২৪

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন শাবানা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন শাবানা

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী অভিনেত্রী শাবানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোমবার দেখা করেছেন। সামাজিক

ঈদে ১৮ নাটকে ঊর্মিলা

ঈদে ১৮ নাটকে ঊর্মিলা

প্রতি বছর ঈদ উপলক্ষে নানা চরিত্রে অভিনয় নিয়ে একাধিক টিভি চ্যানেলে উপস্থিত হন

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেরা একাদশে তামিম

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেরা একাদশে তামিম

আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশকে সেমি-ফাইনালে তুলতে বড় অবদান রাখা তামিম

র‌্যাঙ্কিংয়ে মাশরাফি, উন্নতি তামিমের

র‌্যাঙ্কিংয়ে মাশরাফি, উন্নতি তামিমের

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পারফরম্যান্সে আইসিসি ওয়ানডে বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

২য় মুক্তিযুদ্ধ কি হেফাজতের বিরুদ্ধে?

মাহমুদুল বাসার

17 Mar 2017   07:38:14 PM   Friday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 ২য় মুক্তিযুদ্ধ কি হেফাজতের বিরুদ্ধে?

হেফাজত জেগে উঠেছে জামায়াতের ভূত হয়ে। ভূতের পা পেছন দিকে। হেফাজত ও বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীকে পেছন দিকে নিয়ে যাবার ধারালো চক্রান্ত করছে। হেফাজতের হুমকিতে যদি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার আপোসমুখী হয়, পা গুণে চলা শুরু করে, নরম সুরে সাম্প্রদায়িকতার সঙ্গে এডজাস্ট করে, তাহলে সর্বনাশের কিছু বাকি থাকবে না। হেফাজতের ১৩ দফা জাতীয় ধ্বংসের ইস্তেহার। সরকারের সমকালীন হেফাজতী স্ট্যাট্রেজিতে আমরা বিচলিত বোধ করছি। হেফাজতের মূর্খতা, নিষ্ঠুরতা, নারী অবমাননা দেখে আমরা শঙ্কিত যে, দেশে যে কোনো একটা সময়ে ২য় মুক্তিযুদ্ধ শুরু হবে।
    ২০১৪ সালের ৫ মে হেফাজত সরকার পতনের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে এখন সরকারের অন্দরে ঢুকে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। সরকারকে হেফাজতের কাছে নতি স্বীকারের দুñেদ্য জাল বিস্তারের পায়ঁতারা করছে। পাঠ্যপুস্তকে তারা পাকিস্তানি ভাবাদর্শ তথা দ্বি-জাতি তত্ত্বের দর্শন ঢোকাতে সক্ষম হয়েছে। এ কথার ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে না যে, প্রশাসনের বাঁকে বাঁকে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত আছে। তারা চেষ্টা করছে গেরিলা কৌশলে সরকারের মূল বৈশিষ্ট্য, মুক্তিযুদ্ধের সেকুলার চেতনা বিনষ্ট করতে। এই চেষ্টাকারীদের পাকিস্তানের সঙ্গে আতাত থাকা অসম্ভব নয়, পাকিস্তান সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশকে ‘নামে মাত্র বাংলাদেশ’ বানাতে। পাকিস্তানের সঙ্গে বাঙালি-পাকিস্তানদের সম্পর্ক না থেকেই পারে না। অতি সম্প্রতি যে পাকিস্তানি লেখক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে গাঁজাখুরি বই লিখেছে তার বিরুদ্ধে কারা প্রতিবাদ করেছে, আর কারা নিরবতা পালন করেছে; এই হিসেবটা ধরলে বাঙালি- পাকিস্তানিদের চেহারা চিহ্নিত হবে। এ ব্যাপারে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত ও ওই ঘরানার সুশীলরা কোনো বক্তব্য দেয় নি। সরকার পক্ষ এবং জাতীয় সংসদ যথার্থ প্রতিবাদে মুখর হয়েছে। এ প্রসঙ্গে দেশবাসীকে সজাগ করার দায়িত্ব সরকারের।
    হেফাজত কিছু পরিমাণে সরকারের কাছে আস্কারা পেয়েছে তার প্রমাণ পেলাম প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ, টি, ইমামের বক্তব্য থেকে। পত্রিকায় এসেছে, ‘ইসলাম পন্থি এ সংগঠনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে এইচ, টি, ইমাম বলেন, রাজনীতিতে বলুন আর সরকার পরিচালনায় বলুন সব সময়ই বৃহত্তর স্বার্থে ছোট খাটো অনেক বিষয়ে আপোস করতে হয়। যেমন, এর আগে নারী নীতি নিয়ে কথা হয়েছিলো। তখন আমি নিজেই আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বসেছি। এরপর শিক্ষানীতি নিয়ে যখন কথা হয়েছে তখন মন্ত্রীসভায়ই সিদ্ধান্ত হয়, এই নীতিমালায় এমন কিছুই থাকবে না, যা শরীয়া, কোরআন হাদিসের পরিপন্থি। আসলে থাকেওনি। তার ফলে বিষয়টিকে ডিফিউজ করা হয়ে গেছে। না হলে খারাপ রূপ ধারন করতে পারতো। ওই সুযোগটি আমরা দেবো না। বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণে হেফাজতের দাবিও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গুলো স্পর্শকাতর। হেফাজতের সঙ্গে দেশের অধিকাংশ ইসলাম পন্থি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার কারণে সংগঠনটিকে সরকারের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কোনো অবস্থানে তারা না যায়, যাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামোই বিপন্ন না হয় তা দেখতে হবে। তারা কোনো সময়ই হালে পানি পেতো না।  তাদের পূনঃস্থাপন করা হয়েছিলো। জামায়াতের বড় নেতাদের, যাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ফাঁসিও হলো, তাদের এদেশে আনা হয়েছিলো। ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছু তাদের হাতে। সবখানে তারা রন্ত্রে রন্ত্রে ঢুকে গেছে।’
    তিনি আরো বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তক কিংবা অন্য বিষয়ে এমন কোনো সুযোগ দেবো না, যাতে যে কোনো মহলই হোক, এর পক্ষে বিপক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। আদালত চত্বরে ভাস্কর্য নিয়ে হেফাজতের দাবিতে সরাসরি সমর্থন না জানালেও সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের অনেকেই এই ভাস্কর্য স্থাপন অপ্রয়োজনীয় ছিলো বলে মনে করেন। বিষয়টি স্পর্শকাতর, এ নিয়ে সরকার ও আওয়ামীলীগের কেউ মন্তব্যও করছেন না।
    পাঠ্যবইয়ের হেফাজতের দাবির প্রতিফলন ও তাদের অন্যান্য দাবির প্রতি সরকারের অবস্থান নিয়ে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যদি বিএনপি এসব দাবি তুলতো বা তারা রাজপথে আসতো, তাদের প্রতি যে দৃষ্টিভঙ্গি হতো, এদের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না। এদের প্রশ্রয়ই দেওয়া হচ্ছে। কেননা মনে করা হচ্ছে, এরা সমর্থন করবে এবং তা প্রয়োজন। এরা শান্ত থাকলে সুবিধা। না থাকলে উগ্র হয়ে পড়বে।’ তিনি আরো বলেন,’ হেফাজতের দাবি অযৌক্তিক ও বাংলাদেশের অন্যতম রাষ্ট্রীয় মূল নীতি ধর্ম নিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’ (সমকাল-১১/৩/২০১৭)।
    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জনাব ইমামের সঙ্গে মনেপ্রাণে একমত হতে পারলাম না। জনাব ইমামই প্রমাণ দিলেন তার বক্তব্যর মধ্যে দিয়ে যে, আংশিক হলেও হেফাজতের দাবি মেনে নিয়েছে সরকার। জনাব ইমামের বক্তব্যে হেফাজত-ভীতি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি স্বীকৃতি দিলেন, হেফাজতের এমন ক্ষমতা আছে যে তারা ইচ্ছে করলে রাষ্ট্রের স্থিতি বিপন্ন করতে পারে। হেফাজত কি এভাবে তাদের ১৩ দফা বাস্তবায়ন করে ছাড়বে? মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নাগরিক হিসেবে শঙ্কিত বোধ করছি হেফাজতকে আস্কারা দেবার নমুনা দেখে।
      এ ক্ষেত্রে ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সঙ্গে আমি সহ মত পোষণ করি।  তবে ড. চৌধুরীর কথার সঙ্গে আমি একটুকু যোগ করতে চাই যে, সরকারের ভয়টা কিন্তু বিএনপিকেই, বিএনপি এখনো জামায়াতকে বুকে আঁকড়ে রেখেছে, জামায়াত-বিএনপি মিলে হেফাজতকে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করলে সরকার বিপাকে পড়বে, এটাই সরকারের ভয়। সরকার জানে, হেফাজতের ভোট বিএনপির বাক্সে যাবে। তবুও হেফাজতকে মৃদু তোয়াজ করার কারণ হলো যাতে তারা জনগনকে বিভ্রান্ত করতে না পারে।
    কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে রবীন্দ্রনাথের কথায় অটল বিশ্বাসী, ‘দুর্বলেরই ছল বেশি।’ নেতাজী সুভাষ বোস সমুদ্রের নিচ দিয়ে যখন  একটি জাহাজে করে বার্মা থেকে জাপানে যাচ্ছিলেন, তখন তাকে আক্রমণ করতে ধাওয়া করে আসছিলো এক শত্রু জাহাজ। তখন নেতাজী বললেন, ‘ওপেন্স ইজ দ্যা বেস্ট ডিফেন্স।’এ কথা বলেই তিনি শত্রুর আঘাতের আগেই তিনি আঘাত করেন।
নেতাজীর কথায়ও আমি বিশ্বাসী, ‘ওপেন্স ইজ দ্যা বেস্ট ডিফেন্স।’ হেফাজতের বেলায় সরকারের এই নীতি প্রয়োগ করা উচিত। হেফাজতের প্রশংসা সরকারের জন্য গৌরবের হতে পারে না। হেফাজতের সার্টিফিকেট নিয়ে সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো সার্থকতা আছে বলে মনে করিনা। পাঠ্যপুস্তকের ভেতর দিয়ে হেফাজত যতটুকু অগ্রসর হয়েছে তাতে অস্বস্তি বোধ করছি। গ্লানি বোধ করছি।
হেফাজত যদি এবার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্য সরাতে পারে তাহলে সামনে বাংলাদেশের কোথাও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক কোনো ভাস্কর্য স্থাপন করতে পারবে না। এরপর নাচ-গান বন্ধ করে দেবে, সিনেমা হল বন্ধ করবে, শহীদ মিনারের পাশে মসজিদ ওঠাবে। ২১ ফেব্রুয়ারির রাতে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান বন্ধ করে দেবে। সিরিয়ার পালমিরায় আইএস যে ভাবে হাজার বছরের ঐতিহ্য ধ্বংস করে দিয়েছে, হেফাজতও তাই করবে এ দেশে।
সরকার যদি হেফাজতের ব্যাপারে ওপেন্সিভ এ্যাটিচুড ছেড়ে ডিফেন্সিভ দৃষ্টি অবলম্বন করে তাহলে বড়মাপের বিপর্যয় ঘটবে। তথাকথিত ওলামা লীগ সম্পর্কে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য নেই কেন? এতে বিপদ বাড়বে। বিএনপি, ড. ইউনুস, ড. কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকী অধীর আগ্রহে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে সরকারের মাত্র এক ইঞ্চি নৈতিক পদস্খলনের জন্য। বিএনপি-জামায়াত বিপাকে পড়ে হেফাজতের হাতে ধর্মের অস্ত্র তুলে দিয়েছে। হোমারের মহাকাব্যের নায়ক যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলেন বর্মাবৃত। শত্রু মাত্র একটা ছিদ্র খুঁজে পেয়েছিলো পায়ের গোড়ালিতে। সেই ছিদ্র দিয়েই তীর নিক্ষেপ করে। তাতে তার মৃত্যু হয়। হেফাজতও শেখ হাসিনার পায়ের গোড়ালিতে ছিদ্র খুঁজে পেলে তীর নিক্ষেপ করতে দ্বিধাবোধ করবে না।
হেফাজতের বেপরোয়া মূর্তি আমরা দেখেছি। গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে একমাত্র হেফাজত একটি অপশক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো। ট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে গণজাগরণ মঞ্চ সমাবেশ করতে পারে নি। চট্টগ্রাম সাতকানিয়ার এক মসজিদের মাইকে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে হেফাজত লোক জড়ো করে পুলিশ ঘেরাও করে ফেলেছিলো। রাষ্ট্রধর্ম সংক্রান্ত একটি মামলার ব্যাপারে হেফাজত যে হুমকি দিয়েছিলো তা ছিলো রীতিমতো রাষ্টদ্রোহমূলক,তা আইন হাতে তুলে নেবার মতো। হেফাজত ফের হুমকি দিয়েছে তারা শাপলা চত্বর দখল করবে, হাইকোর্টের ভস্কর্য সরাবে। হেফাজত যেহেতু পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন দিয়েছে, সেহেতু হেফাজত কোনো নৈতিক ভিতের ওপর দাঁড়ানো সংগঠন নয়। হেফাজত একটি নারী বিদ্বেষী সংগঠন।
হেফাজতের উগ্রতা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী জনগণ মেনে নেবে না। এদেশের ধর্মপ্রাণ আলেমরা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিলেন না। কিন্তু হেফাজত মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিলো। শাহরিয়ার কবির হেফাজতের স্বরূপ তুলে ধরেছেন ১২/৩/১৭ তারিখের দৈনিক জনকণ্ঠে-তার কলামে। তিনি বলেছেন, ‘হেফাজত যা করছে তা কখনো ইসলাম সমর্থক হতে পারে না। এ সব হচ্ছে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাবার সুদূর প্রসারী রাজনৈতিক চক্রান্তের অন্তর্গত। এ ভাবে পাকিস্তান তাদের এদেশীয় প্রতিনিধিদের দ্বারা ৭১-র মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে।’
    সত্যি কথা। ড. মুনতাসীর মামুন হেফাজতকে প্রশ্রয় দানের ব্যাপারে বর্তমান সরকারকে প্রখর অভিযোগ করেছেন। তাতে অনেকের মনোবল হোচট খেয়েছে। সরকারের এই ডিফেন্সিভ দৃষ্টি মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে আমাদের। এতে মুক্তিযদ্ধের স্পিরিট ভোঁতা হবে। বিষ এক ফোটা খেলেই যথেষ্ঠ। আমার বিশ্বাস, হেফাজতের উগ্রতা এদেশের মানুষ মানবে না। হেফাজতকে মোকাবেলা করার মানুষ ধীরে ধীরে তৈরি হয়ে যাবে। হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়ন হতে দিতে পারে না বাঙালিরা। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তকে অপমান করার অধিকার আমাদের কারোই নেই। গণজাগরণ মঞ্চের মাধ্যমে প্রমাণ হয়ে গেছে বৃহত্তর জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে। না হলে সরকারের পক্ষে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হতো না। যে কারো আহবানে জনগণ ২য় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে। এই যুদ্ধের প্রধান প্রতিপক্ষ হবে হেফাজত।

মাহমুদুল বাসার
কলাম লেখক, গবেষক  

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net