তাজা খবর:

কাটাতারের বেড়াটা ছুঁতে দিলো না মাকে....                    নড়াইল-২ আসনে আ`লীগের প্রার্থী মাশরাফি-বিন-মর্তুজার কর্মী সমাবেশ                    সিরাজদিখানে দর্জীর লাশ উদ্ধার, পুলিশ বলছে হত্যাকান্ড                    পাবনায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর খুন                    হারুন হত্যার ৫৭ দিন পর মামলা রেকর্ড করলো পুলিশ                    রংপুরে জামায়াতের গোপন বৈঠক, আমীরসহ গ্রেফতার ৮                    অহনা হত্যাকান্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিল চাচাতো বোন                    কালীগঞ্জের মাহবুবুর রহমান দম্পতির একসঙ্গে ৪ সন্তান লাভ                    বাঘায় রনির পুকুরে পেলো বিরল প্রজাতির মাছ                    প্রেমের টানে যুক্তরাষ্ট্রের যুবতী ছুটে আসলেন বরিশাল                    
  • মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫

মেলান্দহে আ`লীগ-বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত-১০॥গ্রেফতার-৬

মেলান্দহে আ`লীগ-বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত-১০॥গ্রেফতার-৬

জামালপুর প্রতিনিধি॥জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ এলাকায় বিএনপির প্রার্থীর মাজার জিয়ারাত করার জন্য যাবার

টাকা ছাড়া কাজ হয় না যশোর বিআরটিএ অফিসে

টাকা ছাড়া কাজ হয় না যশোর বিআরটিএ অফিসে

যশোর বিআরটিএ অফিসের দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে। ঘুষ ছাড়া মোটরযান রেজিস্ট্রেশন ও

রৌমারীর সীমান্তে বুনো হাতির মৃত্যু !

রৌমারীর সীমান্তে বুনো হাতির মৃত্যু !

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্তে বুনো হাতির মৃত্যু হয়েছে। ভারত থেকে নেমে আসা

মনিরামপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা

মনিরামপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা

যশোরের মনিরামপুরে শিমুল হোসেন (১৪) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা করেছে

ভারত-বিএনপি সম্পর্কে পরিবর্তনের হাওয়া

এফএনএস অনলাইন

11 Jun 2018   11:54:49 AM   Monday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 ভারত-বিএনপি সম্পর্কে পরিবর্তনের হাওয়া
ছবি : বিবিসি

ঢাকা: যদি বিএনপি ক্ষমতায় ফিরে আসে, তখন কী হবে? মাসখানেক আগে ভারতের একটি প্রভাবশালী সাপ্তাহিকে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে ঠিক এই প্রশ্নটি ছুঁড়ে দিয়েছিলেন ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দুজন বিশ্লেষক, যাঁরা কাজ করেন একটি ফরেন পলিসি থিংক ট্যাংকের সাথে।
মেইনস্ট্রীম উইকলি’তে প্রকাশিত এই নিবন্ধটির শিরোণাম ছিল, “ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ: হোয়াট ইফ বিএনপি রিটার্নস।”
এর ঠিক এক মাস পরে বিএনপির কারাবন্দী নেত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যখন দলের কর্মী-সমর্থকরা চরম উৎকন্ঠায়, তখন বিএনপির উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলকে দেখা গেল নয়াদিল্লিতে। সেখানে তারা দফায় দফায় কথা বলছেন কীভাবে বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা যায় সেটা নিয়ে।
আর ঠিক ঐ একই সময়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছুটে গেছেন লন্ডনে, যেখানে গত প্রায় দশ বছর ধরে নির্বাসিত দলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা তারেক রহমান বসবাস করছেন।

ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক ‘দ্য হিন্দু’তে একই রকম সময়ে প্রকাশিত হলো একটি প্রতিবেদন, যার মূল কথা, বিএনপি নেতারা ভারতের কাছে সাহায্য চাইছেন বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে।

বিএনপি বাংলাদেশে পরিচিত একটি ভারত-বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে।

কিন্তু গত মাসখানেকের ঘটনা কি সেখানে কোন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে? বিএনপি কি তার ভারত সম্পর্কিত অবস্থানে বড় পরিবর্তন আনছে? ভারতের নীতিনির্ধারকরা কি বাংলাদেশ নিয়ে নতুন করে ভাবছেন?

বিএনপি নিয়ে নতুন আগ্রহ
ভারতের কয়েকজন সাবেক কূটনীতিক, লেখক ও সাংবাদিকের সাথে কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে, বিএনপি ভারতের আস্থা অর্জনে নতুন করে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। বিএনপির নেতাদের কথাতেও তার আভাস মিলছে। আর এর পাশাপাশি ভারতের নীতিনির্ধারকরাও বাংলাদেশে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিএনপিতে বিবেচনায় রাখতে চাইছেন।

বিএনপি যে বাংলাদেশে এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি, তারা যে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে, আবারও বাংলাদেশে সরকার গঠন করতে পারে, এই বিবেচনাগুলো কিন্তু ভারত সরকারের নীতিনির্ধারকরা একেবারে বাদ দিতে চাইছেন না।

বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে প্রচলিত একটি ধারণা হচ্ছে, ভারতের কাছে আওয়ামী লীগ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি পছন্দের দল এবং বিএনপি ক্ষমতায় ফিরে আসুক এটি তারা চায় না।
এ প্রশ্নটাই করা হয়েছিল অবসরপ্রাপ্ত একজন ভারতীয় কূটনীতিক বীনা সিক্রির কাছে। বাংলাদেশে একসময় ভারতের হাইকমিশনার ছিলেন বীনা সিক্রি, ২০০৩ হতে ২০০৬ সন পর্যন্ত, যখন বিএনপি ছিল ক্ষমতায়। তিনি দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া`র বাংলাদেশ স্টাডি সেন্টারের সাবেক চেয়ারপার্সন।

ভারত বিএনপিকে পছন্দ করে না এবং আওয়ামী লীগের প্রতিই তাদের পক্ষপাত, বীনা সিক্রি কিন্তু এই ধারণা একেবারেই নাকচ করে দিলেন।

“এটা একেবারেই ভুল প্রশ্ন এবং ভুল দৃষ্টিভঙ্গী। ভারত বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী, শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে আগ্রহী। ভারতের নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসির মূল কথাও এটাই। পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতেই এটা হবে।”

তিনি স্বীকার করছেন যে শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিরাট উন্নতি হয়েছে, কিন্তু তিনি একই সাথে এটাও বলছেন, ভারত বাংলাদেশের যে কোন রাজনৈতিক শক্তির সাথে কাজ করতে আগ্রহী, কথা বলতে প্রস্তত। তবে তাদেরকে অবশ্যই দুদেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

বিএনপি প্রতিনিধি দল যে ভারতে গেছে বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের ব্যাপারে কথা বলতে সে ব্যাপারে তার মন্তব্য কি?

বীনা সিক্রি বলেন, ভারত যে কারও সাথে কথা বলতে রাজী। কারণ ভারত পিপল-টু-পিপল রিলেশনশীপে বিশ্বাসী। কাজেই যে কোন কারও সাথেই ভারত কথা বলতে রাজী।

দিল্লির অগ্রাধিকার-
ভারতের একটি প্রভাবশালী সাময়িকি ‘মেইনস্ট্রীম উইকলি’তে প্রকাশিত নিবন্ধটি লিখেছিলেন অপরুপা ভট্টাচার্য এবং সৌরিনা বেজ। এই লেখায় তাঁরা সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি বিএনপি নির্বাচনে জিতে বাংলাদেশের ক্ষমতায় ফিরে আসে, তখন ভারত কী করবে?
তাঁদের মতামত হচ্ছে, শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকলেও, ভারতের উচিত হবে না বাংলাদেশের ক্ষমতার লড়াইয়ে খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে এখনই খরচের খাতায় লিখে ফেলা। তাঁদের মতে, যদি খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ফিরে আসেন, তাহলে ভারতকে তার নীতি কিছুটা বদলাতে হবে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনা-প্রবাহ খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন ভারতীয় লেখক-সাংবাদিক এস এন এম আবদী। ভারতের নামকরা সাময়িকী আউটলুক’র সাবেক ডেপুটি এডিটর।
ভারত তার সব ডিম এক ঝুড়িতে রেখেছে এটা তিনি বিশ্বাস করেন না।
তাঁর মতে, “এই মূহুর্তে বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা। এটা ভারতীয় নীতির এক নম্বর প্রায়োরিটি। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারত কিন্তু একটি বিকল্প দৃশ্যপটের জন্যও তৈরি। ভারত বিএনপিকে খারিজ করে দেয়নি।”

“ভারত অনেকের সাথে সম্পর্ক রাখে। বিএনপি শুধু নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরও যেসব শক্তি আছে, যেমন এরশাদ, এমনকি জামায়াতে ইসলামীর সাথেও। ভারত তাদের সাথে পর্যন্ত কথা বলে।”
এস এন এম আবদীর মতে, মূলত তিনটি শহরে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা কথা বলেন, যোগাযোগ রক্ষা করেন। ঢাকায়, লন্ডনে, আর দিল্লিতে।
“এটা কূটনীতিকরা করেন, এটা রিসার্চ এ্যান্ড এ্যানালিসিস উইং বা `র` করে, এবং পলিটিক্যাল লেভেলেও এই আলোচনা চলে। লন্ডনে যেসব লোকজন ভারত সরকারের খুব ঘনিষ্ঠ, বিশেষ করে বিজেপি এবং আরএসএস এর নেতৃবৃন্দ, তাদের মাধ্যমেও এসব যোগাযোগ হয়।”
বিএনপির সাথে ভারত যে সম্পর্ক রক্ষার চেষ্টা করে, সেটিকে আওয়ামী লীগ মোটেই সুনজরে দেখে না বলে মনে করেন তিনি।

“ভারতের নতুন হাই কমিশনার হয়ে শ্রীংলা যখন ঢাকায় গেলেন, তিনি কিন্তু খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেছেন, যেটা আওয়ামী লীগের পছন্দ হয়নি। গত বছর যখন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঢাকায় গেলেন, আওয়ামী লীগ একদম চায়নি উনি খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেন। কিন্তু এই সফরের আগেই কিন্তু তখন লন্ডনে অবস্থানরত খালেদা জিয়াকে বার্তা দেয়া হয় যে, সুষমা স্বরাজ তার সাথে ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে চান। খালেদা জিয়া তখন ঢাকায় ফিরে আসেন। আর সুষমা স্বরাজ তখন দেখা করেন তার সাথে।”


এর সূত্র ধরে বিএনপির ভারত নীতিতেও পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন এস এন এম আবদী।
“গত দু বছরে আপনি কি বিএনপির নেতাদের কাউকে ভারতের সমালোচনা করতে দেখেছেন? প্রধানমন্ত্রী মোদির সমালোচনা করতে দেখেছেন? তারা করেননি। সর্বোচ্চ যেটা তারা করেছেন, তা হলো, তারা শেখ হাসিনার সরকারের সমালোচনা করেছেন ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য দাবি আদায় করতে ব্যর্থতার জন্য। হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকারকে আক্রমণের বেশি আর বিএনপি যায়নি। ভারতের সমালোচনা তারা আর করছে না।”

বিএনপির অবস্থানে পরিবর্তন
বিএনপি কি ভারতের আনুকুল্য লাভের জন্যই তাহলে ভারতের সমালোচনা বন্ধ করেছে? “ব্যাপারটা ঠিক তাই। বিএনপির বোধোদয় হয়েছে। বিএনপি তার বোধ-বুদ্ধি ফিরে পেয়েছে। পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে হাজার মাইল দূরে। ভারত হচ্ছে ঘরের পাশের প্রতিবেশী। ভৌগোলিকভাবে যদি দেখেন, ভারতের হাত বাংলাদেশের গলার উপর। বাংলাদেশের একদিকে সমূদ্র। আর বাকী তিনদিকে হচ্ছে ভারত। কাজেই বাংলাদেশকে তো ভারতের সাথে থাকতে হবে। আর ভারতেরও এই উপলবিদ্ধ বাড়ছে যে বাংলাদেশের সাথেই থাকতে হবে। কারণ বাংলাদেশে কোন সমস্যা হওয়া মানে হচ্ছে ভারতের বগলে ফোঁড়া গজানোর মতো। বগলে ফোঁড়া হলে সেটা কতো যন্ত্রণাদায়ক, সেটা ভারত বুঝতে পারে।”

বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তাঁরা বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের জন্য ভারতের সহায়তা চান। তাঁরা মনে করেন, বৃহৎ প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের উপর ভারতের যথেষ্ট প্রভাব আছে। সেই প্রভাব ভারত কাজে লাগাতে পারে

কিন্তু ভারত কি সেই ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত?
বাংলাদেশে সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার বীনা সিক্রি মানতে নারাজ, এখানে ভারতের কোন ভূমিকা আছে। “কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক দায়িত্ব তো বাংলাদেশের। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন ব্যাপার। কাজেই ভারত যে কোনভাবেই বাংলাদেশের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে, এটা হবে না। কখনোই না। অতীতেও ভারত এটা কখনো করেনি। এবং ভবিষ্যতেও ভারত কখনো এরকম হস্তক্ষেপের কথা বিবেচনা করবে বলে আমি মনে করি না।”
ভারতীয় সাংবাদিক এস এন এম আবদীর মতও তাই।
“আমার মনে হয় না ভারত এখানে আগ বাড়িয়ে কিছু করবে। সত্যি কথা বলতে কি সেটা ঘটবে বলে আমার মনে হয় না। তবে আমার মনে হয় নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের রায় মেনে নিতে ভারত প্রস্তুত।”-বিবিসি।

    
    

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net