তাজা খবর:

পদ্মা সেতুর রেলসংযোগ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী                    খুনিদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য জনগণ মানবেনা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী                    বিএনপি-জামাতের বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোন সুযোগ নেই: হানিফ                    ১২বরিশাল সিটির নয়টি কেন্দ্রে পূর্ণভোট গ্রহণ শনিবার                    জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের এই বাংলার মাটিতে স্থান নাই: পলক                    প্রধানমন্ত্রী মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর কাজ পরিদর্শ করবেন রোববার                    ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে দেবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী                    চিতলমারীতে জনপ্রিয় হচ্ছে বয়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ                    জেলেপল্লীতে চলছে সমুদ্রে যাওয়ার জোর প্রস্তুতি                    গঙ্গাচড়ায় রাঙ্গাতেই ভরসা তবে....                    
  • বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ২ কার্তিক ১৪২৫

বাঁশবাগানে ফেলে যাওয়া বৃদ্ধা মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন স্বরাষ্

বাঁশবাগানে ফেলে যাওয়া বৃদ্ধা মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন স্বরাষ্

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ি গ্রামে বাঁশবাগানে ফেলে যাওয়া অসহায় বৃদ্ধা মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব

কালীগঞ্জের তৈলকূপী গ্রামের ঐতিহাসিক শিব মন্দির

কালীগঞ্জের তৈলকূপী গ্রামের ঐতিহাসিক শিব মন্দির

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়নের তৈলকূপী গ্রামে বেগবতী নদীর তীরে অযতœ আর অবহেলাই

কলেজ ছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার

কলেজ ছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার

পাবনার সাঁথিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের মেয়ে ও সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের দর্শন বিভাগের ছাত্রী

অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে স্কুল ছাত্রী ইতি

অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে স্কুল ছাত্রী ইতি

অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে বেঁচে থাকার জন্য ছটফট করতে থাকা মেধাবী স্কুল

বঙ্গবন্ধুর বাড়ি নিয়ে উপন্যাস ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বর’

এফএনএস :

04 Feb 2018   07:55:02 PM   Sunday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 বঙ্গবন্ধুর বাড়ি নিয়ে উপন্যাস ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বর’

ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বলতে আমরা বুঝি একটা বাড়ির কথা। আসলে ৩২ নম্বর কোন বাড়ি নয়। একটি সড়ক। এই সড়কের ৬৭৭ নম্বর বাড়িতে বাস করতেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িটি বাকিংহাম প্যালেস, হোয়াইট হাউস, ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট, রাইসিনা হিল অথবা ক্রেমলিনের মতো সরকারি মর্যদা ছিল না। বা নাই। ছিল না কোন নামও। তবে এই বাড়িটি বাঙালি জাতির ভালোবাসার রাজ্যে এক অন্যান্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। এই বাড়িটির আলাদা একটা ইতিহাস আছে। যা পৃথিবীর অন্যকোন বাড়ির নেই বলে মনে হয়।
১৯৬২ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন শুরু হয়। বাঙালির মনের মধ্যে দানা বাঁধতে থাকা অসন্তোষ। বাড়তে থাকে অপশাসনের হাত থেকে মুক্তির আকাঙ্খা। শেখ মুজিবুর রহমান দিন দিন আরো বেশি গণমানুষের নেতা হয়ে উঠতে থাকেন। আর ৩২ নম্বরের এই বাড়িও হয়ে উঠতে থাকে মুক্তির প্রতীক। গণমানুষের ভরসা ও আশ্রয়স্থল। ১৯৬২ সালের আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ’৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ’৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন, ’৭১ সালের শুরুতে অসহযোগ আন্দোলন- এসব গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বঙ্গবন্ধু পরিকল্পনা করা, নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সবই করেছেন এই ৩২ নম্বর বাড়িতে। ’৭১-এর উত্তাল দিনগুলোয় দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরাও জাতির পিতার সঙ্গে দেখা করার জন্য এখানে ভিড় করেছিলেন। এ ছাড়া ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের রূপরেখাও এ বাড়িতেই তৈরি করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ২৩ মার্চ এই বাড়িতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন সাধন হয়।
     ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে এই বাড়িতে বসে বঙ্গবন্ধু যে নির্দেশ দিতেন সে অনুসারেই  চলত দেশ ও বাঙালি জাতি। দৈনিক আজাদ পত্রিকা লিখেছিল ‘বিশ^বাসীর পাশে আজ দিবালোকের মত স্পষ্ট যে বাংলার শাসন ক্ষমতা এখন আর সামরিক কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারে নাই বরং তা সাতকোটি মানুষের ভালোবাসার শক্তিতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর এখন বাংলার শাসন ক্ষমতার একমাত্র উৎস হইয়া পড়িয়াছে।’
    বঙ্গবন্ধুর বাসভবন তখন অঘোষিত সরকারি সদর দপ্তরে পরিণত হয়েছিল। বাঙালির আশা আকাঙ্খার ঠিকানা হয়েছিল। হয়ে উঠেছিল নিরাপদ আশ্রয়। পুনরায় শত্রুদের চক্ষুশূল। দেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে এই বাড়ি ছাড়েননি বঙ্গবন্ধু। ওঠেননি সরকারি আলিশান বাসভবনে। স্বাধীনতার সামনে পরে আওয়ামী লীগের প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ মিটিংও হয়েছে এই বাড়িতে। যদিও কংগ্রেসের প্রচুর মিটিং নেতাজির বাড়িতে হয়েছে। তবে ৩২ নম্বরের মতো সংগ্রামের সদর দপ্তরে পরিণত হয়নি। পরিণত হয়নি একটি জাতির ঠিকানায়। ৩২ নম্বর একটি জাতির ঠিকানায় পরিণত হয়েছিল।
   বঙ্গবন্ধুর এই বাড়ি নিয়ে এক ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখেছেন কথাসাহিত্যিক শামস সাইদ। উপন্যাসটির নাম দিয়েছেন ‘ধানমন্ডি ৩২ নম্বর’। এই উপন্যাস নিয়ে উক্তি হয়েছিল লেখকের সংগে। একটি বাড়ি নিয়ে একটা উপন্যাস লেখা যায় হঠাৎ করে এই বিষয়টা মাথায় এলো কি করে আপনার।
সত্যি বলতে এই বাড়ি নিয়ে উপন্যাস লেখার কোন পরিকল্পনা ছিল না আমার। পুনরায় হঠাৎ করেও লেখা শুরু করিনি। আজ থেকে বারো বছর সামনে আমি গিয়েছিলাম ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে। সেটাই ছিল আমার প্রথম যাওয়া। বাড়ির ভেতরও ঢুকেছিলাম। ঘুরে দেখেছিলাম একরুম থেকে অন্যরুম। বাড়িটা তখন জাদুঘর। এই বাড়িতে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ আসেন। সেদিনইও প্রচুর মানুষ দেখেছিলাম। তবে কারো মুখে আমি হাসি দেখিনি। একজনকে খুব কাঁদতে দেখেছিলাম সেদিন। কি কারণে কাঁদছেন জানি না। আমারও খুব দুঃখ হচ্ছিল। প্রচুর দুঃখ জমা হয়েছিল বুকে। সেটা এই ভেবে যে বাড়ির সব কিছু আছে। হয় তো তেমনি সাজানো নেই। এলোমেলো স্মৃতিতে ভরপুর বাড়িটা। শুধু সেই স্বপ্নের মানুষরা নেই। এক সকালে মেরে ফেলল তাদের সবাইকে। কেন? কী দোষ ছিল তাদের? এমন একটা প্রশ্ন তখনই আমার মাথায় এসেছিল। তার উত্তর আজও আমি পাইনি। তখনই মূলত কষ্টটা হচ্ছিল। তবে সেসময়ও এই বাড়ি সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না। এতটুকুই জানি এই বাড়িটা বঙ্গবন্ধুর। এখানেই থাকতেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের সবাইকেসহ এই বাড়িতে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। এর বাইরে তেমন কিছু জানা ছিল না। তবে সেদিন মনে হয়েছিল বিবিসির সংবাদদাতা ব্রায়ন বারণের কথা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে সংবাদ বিবরণীতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন,‘শেখ মুজিব সরকারিভাবে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং জনগণের হৃদয়ে উচ্চতম আসনে প্রতিষ্ঠিত হবেন। যখন এঘটনা ঘটবে তখন নিঃসন্দেহে তার বুলেটবিক্ষত বাসগৃহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্মারকচিহ্ন এবং কবরস্থান পূণ্যতীর্থে পরিণত হবে।’ সেদিন মনে হয়েছিল ব্রায়নের ভবিষ্যৎ বাণী সত্যি হয়েছে।
    এই বাড়ির ইতিহাস আমাকে ভীষণভাবে তাড়িত করেছিল। যতনা সৃষ্টি করেছিল। এরপর এই বাড়িটি নিয়ে লিখতে যাওয়াটা আমার জন্য অত্যাবশক হয়ে পড়েছিল, চাপ মুক্তির জন্য। উপন্যাস লিখতে হলে তো নতুন একটা জার্নি শুরু করতে হবে। নতুন করে পড়াশোনা করতে হবে। শুরু করলাম পড়াশোনা। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। চারবছর পড়াশোনা করার পরে মনে হলো এখন আমি উপন্যাস লেখায় হাত দিতে পারি। তবে প্রতিনিয়তই আমাকে অবাক করেছে এই বাড়ির ইতিহাস। তখন আমার মনে হলো এই বাড়িটা খুবই সাধারণ বাড়ি। যে বাড়িতে একটা শিতাতপ যন্ত্র পর্যন্ত নেই। আলিশান কোনো বাড়ি নয়। মধ্যবিত্ত কোন এক বাঙালি পরিবারে বাড়ির বাইরে কিছু ভাবা যায় না।  
আবার এই বাড়িতেই স্বপরিবারে নিহত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু। বেশ সমৃদ্ধ ইতিহাস এই বাড়ির। ভাবলাম একটা বড় উপন্যাসই লিখব। হয়ত পাঁচশ পৃষ্ঠা হবে। বেশ একটা উত্তেজনা পেশা করছিল আমার ভেতর তখন। এরকমই হয়তো হয়। বড় কোন পেশা করতে গেলে আলাদা একটা উত্তেজনা থাকে।  
    লিখতে বসে তিনমাসের কিছু বেশি সময় এই উপন্যাস আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে রেখেছিল আমাকে। দূরে সরিয়ে রেখেছিল পৃথিবীর সব ভাবনা থেকে। ডুবে গেছিলাম একটা ইতিহাসের পুকুরে। প্রতিটা শব্দই তুলে আনতে হয়েছে সেখান থেকে। পুনরায় ছুটতে হয়েছে কারো কাছে। এভাবেই চলছে লেখা। একসময় দেখলাম ইতিহাসের পুকুর থেকে নদীতে নেমে পড়েছি। মানে বাড়ছে কল্পনার পরিধি। পাঁচশ পৃষ্ঠায় আটকানো সম্ভব হচ্ছে না উপন্যাস। এবার যেন ইতিহাসের সমুদ্রে সাঁতার কাটছি। অনুমান বাড়ছে বাড়ছে, কোন স্থানে যাচ্ছে জানি না। হারিয়ে ফেলেছি শব্দের নিয়ন্ত্রণ। তখন ভাবলাম উপন্যাসটা দুইখ- করব। অথচ কয়েকদিন পরে দেখলাম তাতেও আটকাতে পারছি না। পাঁচশ, আটশ ছাড়িয়ে অনুমান যেখানে গিয়ে তার রথ দাঁড় ভীষণ সেখানে গিয়ে দেখি চার হাজারের বেশি পৃষ্ঠা। তখন আর শব্দে বা পৃষ্ঠায় নয়, সময় হিসেবে এই উপন্যাসকে যা খ-ন করা হয়েছে করলাম। তাতে ছয় অংশ হলো।
      হ্যাঁ বলা যায় এই উপন্যাসটি বিশাল। যেকোন উপন্যাস লেখতেই প্রথমে যেটা লাগে সে হচ্ছে প্রবল ধৈর্য ও সময়। তবে ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে আরো একটা ঝামেলায় পড়তে হয় সে বেশ লেখাপড়া করতে হয়। নোট নিতে হয়। প্রথম অংশ শেষ করলাম রমজানের ঈদের তিনদিন আগে। শব্দ সংখ্যা দাঁড়াল দুই লক্ষ্য সতের হাজার। এডিট করলে আরো অল্পসংখ্যক ৩হাজার হয়ত বাড়বে। শেষ করে হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। মনে বেশ উত্তেজনাও রয়েছে। কী যেন একটা করে ফেলেছি। একটা ভালো লাগাও পেশা করছে। একদিন পরে বসলাম এডিট করতে। কয়েকমিনিট পরে জটিল হিসাব গণনার ইলেকট্রিক যন্ত্র কিছু একটা সংকেত দিয়ে মনিটর নীল হয়ে গেল। হারিয়ে গেল আমার দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল ২ লক্ষ্য ১৭ হাজার শব্দসহ আরো প্রচুর কিছু।
     একদিন দেখলাম উপন্যাসটা তার গন্তব্য স্পর্শ করেছে। এবার ২ লক্ষ ৪৭ হাজার শব্দে গিয়ে শেষ হয়েছে। আমি নিজেও বিশ^াস করতে পারছিলাম না কীভাবে লেখাটা শেষ হয়ে গেল। বুঝতে পারলাম প্রচুর খানি ভালোবাসা আর প্রবল মনোবল ছাড়া এই শব্দগুলোকে এক সাধন আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না।  
   তাতে মনে হচ্ছে উপন্যাস লিখতে আপনি খুব বেশি সময় নেননি।
    না সে হিসেবে সময় খুব একটা বেশি লাগেনি। আমি উপন্যাস লেখার প্রস্তুতি প্রচুর সময় নিই। তবে আমার লিখতে খুব সময় লাগে না। যেহেতু আমি কাজই করি শুধু লেখালেখি। তাই আমি দ্রুত একটা লেখা শেষ করতে পারি।    
     আমরা জানি এই বাড়িটার প্রচুর ইতিহাস আছে। তবে একটা বাড়ি নিয়ে এত বড় উপন্যাস লেখার কি আছে।
   এমন প্রশ্ন অনেকেরই ছিল। তবে আমি বঙ্গবন্ধু অথবা তার পরিবারের কাহিনি লিখিনি। কোন রচনাও লিখিনি। একটি বাড়ির গল্প লিখেছি। একটা বাড়ির সামান্য অংশ খ- মুহূর্ত তুলে ধরেছি। যাতে উঠে এসেছে একটি পারিবারের কথা, একটি জাতির কথা, একটি দেশের কথা, একজন নেতার কথা, একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টির কথা, একটি জাতির স্বপ্ন, আশা আকাক্সক্ষা, আশ্রয়, সংগ্রাম, স্বাধীনতা পুনরায় একটি রাতের কাহিনি। সব হারিয়ে শূণ্য এই বাড়িতে ফিরে আসা এক বঙ্গকন্যার কথা। পুনরায় একটি জাদুঘরের কথা। তাতে যতটুকু তুলে ধরা দরকার এর বাইরে বাহুল্য তেমন কিছু লিখি নাই। আমার বিশ^াস এই উপন্যাস  একটি নতুন ইতিহাস জন্ম দিবে।  
     উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন।
মূল্য ৬০০ টাকা। প্যভিলিয়িন ২২। র্ফমা ৪০, পৃষ্ঠা ৬৪০

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net