তাজা খবর:

জনপ্রিয় “ইত্যাদি” অনুষ্ঠান এবার তাহিরপুরে                    হরিপুরে গাছের সাথে দেশ ট্রাভেলস বাসের ধাক্কা, নিহত ২                    রংপুরে আদিবাসী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ                    বরিশালের ছয় রুটে বাস চলাচল বন্ধ                    বগুড়ায় পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট’র ছাত্রকে হত্যা, ৩ বন্ধু গ্রেপ্তার                    বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪, বিয়ের ১ ঘন্টা পর তালাক                    রিপন নথুল্লাবাদ থেকে পাইগান তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ আটক                    অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দেয়ায় স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ                    বাবুগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ৩ আহত ৪                    রামুতে চিরকুট লিখে দুই বোনের আত্মহত্যা                    
  • রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫

জনপ্রিয় “ইত্যাদি” অনুষ্ঠান এবার তাহিরপুরে

জনপ্রিয় “ইত্যাদি” অনুষ্ঠান এবার তাহিরপুরে

 ইত্যাদি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান। জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানটি এবার সুনামগঞ্জের তাহিরপুর

শীতের আগমনে লাকসাম-মনোহরগঞ্জের ধনুকার সম্প্রদায়ের এখন সুদিন

শীতের আগমনে লাকসাম-মনোহরগঞ্জের ধনুকার সম্প্রদায়ের এখন সুদিন

শীত মৌসুম আসছে। শীতল বাতাসের সাথে রাতে হালকা শীতের পরশ শুরু। শীত মৌসুমের

ইসলামী জলসায় যাওয়ার টাকা না পেয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

ইসলামী জলসায় যাওয়ার টাকা না পেয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ইসলামী জলসায় যাওয়ার টাকা না পেয়ে স্কুলছাত্রী ও পারিবারিক কলহের

গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ

গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ

ভারত সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি সুনিষ্কাশিত, উর্বর, মধ্যম থেকে

পশ্চিমাঞ্চল ট্রেনে হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে নাজেহাল ঈদে ঘরমুখো যাত্রী

এফএনএস (এস.এইচ.এম তরিকুল ইসলাম; রাজশাহী) :

14 Jun 2018   03:00:58 PM   Thursday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 পশ্চিমাঞ্চল ট্রেনে হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে নাজেহাল ঈদে ঘরমুখো যাত্রী

 আন্ত:নগর কিংবা সিল্কসিটি। এ রুটের ট্রেন যথাসময়ে নিয়ন্ত্রণ মেনে চলুক বা না চলুক, সিডিউল অনুসারেই চলে হিজড়াদের চাঁদাবাজি। এ অঞ্চলে চলাচলকৃত ট্রেনগুলোতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এসব হিজড়াদের কবলে পড়ে হচ্ছেন নাজেহাল। আর এখন ঈদ-উল ফিতর উদ্্যাপনে ঘরমুখো লাখও যাত্রীদের কাছে ঈদ বোনাসের অজুহাতে চালানো হচ্ছে নিরব চাঁদাবাজি। পুলিশ প্রশাসনের সামনে এমন ঘটনা ঘটলেও নির্বাক রয়েছে তারা। যাত্রীদের অসহায়ত্বের আর্তনাদ শুনছেইনা আইন প্রয়োগকারী প্রশাসন। ফলে মগের মুল্লুকের ন্যয় বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে হিজড়া গোষ্টি। তবে চাঁদার ভাগের অর্ধেক টাকা এসব প্রশাসনের পকেট ঢুকায় তারা নিরব দর্শকের ভুমিকায় থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিনের।
এ চাঁদা আদায় করতে গিয়ে ট্রেনের মধ্যে হিজড়ারা যে ধরনের কুরুচিপূর্ন কা- ঘটাচ্ছে, তা ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়। জোর করে চাঁদার টাকা আদায় করতে গিয়ে কখনো কখনো যাত্রীদের সঙ্গে মারামারিতেও জড়িয়ে পড়ছে হিজড়ারা। আর এগুলো সবই যেন নিত্য দিনের ব্যাপার। এ খবরের জন্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রতিবেদকও হিজড়াদের খপ্পরে পড়ে যায়।
সরেজমিনে বিভিন্ন ট্রেনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, ‘এ্যই পাঁচ টাকা দে, না দিলে মেশিন ধরব।’ এমনই কিছু অশ্লীল কথা আর কার্যকলাপ দিয়ে শুরু হয় হিজড়াদের চাঁদাবাজি। আর তাদের মুল লক্ষ্য হল যুবকরা। সে ছাত্র, চাকুরীজীবি কিংবা শ্রমিক। হিজড়াদের এসব অশ্লীলতা থেকে ছাড় পান না কেউই। সম্মান বাঁচাতে যাত্রীরা যেন যত দ্রুত সম্ভব তাদের টাকা দিয়ে দম নেন। কারণ, দেরী করলেই গুনতে হবে বেশী টাকা। যে চাঁদার টাকার পরিমান ৫০ থেকে পাঁচশত টাকা পযর্ন্ত। গত এক সপ্তাহ পরিচালনা করা হয় এ জরিপ কাজ।
বুধবার সিল্ক সিটি ট্রেনে বসে আছে রাজশাহীর নগরীর বহরমপুরের বাসিন্দা সাইদুর রহমান। প্রথমে তার কাছে হিজড়া রোকেয়া চাইলো একশ’ টাকা। দিতে অসম্মতি জানালে রোকেয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ডাকলো অশ্লীল নামধারী অপর সহযোগীকে। তারপর একজোট হয়ে সাইদুরের মাথার টুপি খুলে নিলো। তখন সাইদুর টুপি তাদের কাছ থেকে নিতে চাইলে চেঁচিয়ে উঠে সাইদুরের শরীরের উপর উঠে বসে গেল এক হিজড়া। তারপর শুরু করলো নোংরামি। তখন বাধ্য হয়ে একশ’ টাকা বের করে দিলো সাইদুর। কিন্তু সন্তুষ্টি নয় তারা। কারণ, এই একশ’ টাকা বের করতে অনেক সময় লেগেছে। তাই এবার দাবি করে বসলো পাঁচশ’ টাকা। না দিলে প্রথমে হুজুরকে ন্যাংটা করে নিজেরাও তা করবে এমন ভঙ্গি শুরু করতেই দাবিকৃত পাঁচশ’ টাকা দিতে বাধ্য হলো সাইদুর।
এবার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালো রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিব। আসল রোকেয়া, এ্যাই টাকা দিবি না? আমরা কিন্তু মেশিন ধরি। বলা মাত্র অশ্লীলতা শুরু করে রোকেয়া। অন্যান্য যাত্রীরা রোকেয়া হিজড়াকে নিষেধ করলে গালি দেয়া শুরু করে সে। এরপর বাধ্য হয়েই টাকা দিতে রাজি হয় হাবিব। এমন হাজারো ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন।
রাজশাহী থেকে চার নম্বর ষ্টেশন সরদহ রোডে নেমে গেল রোকেয়া হিজড়া ও তার সহযোগীরা। আসলো সুইটি হিজড়ার দল। আবারো প্রতি বগিতে গিয়ে সেই একই কথা। ‘এ্যাই! টাকা দে, ঈদ বোনাস দে।’ তখন রাজশাহীর হিজড়াদের টাকার দেয়ার পরও আবার কেন টাকা দিব এমন প্রশ্নের জবাবে সুইটির জবাবও চাঙ্গা। ‘রাজশাহীতে টাকা দিলে কি আমার পেটের ভাত হবে? দে বার কর। টাকা বের কর আমার হাতে সময় নাই।’ এমন ভাবে চাঁদা তুলে তুলতে পৌছলো আব্দুলপুর জংশন। এরপর নেমে যায় সুইটি ও তার সহযোগী। আব্দুলপুর থেকে ঈশ্বরদী আবারো আরেকটি দল।
জানা গেছে, রাজশাহী থেকে কাঁকন হাট. রাজশাহী থেকে সরদহ রোড, সরদহ রোড থেকে আব্দুলপুর, আব্দুলপুর থেকে ঈশ্বরদী এভাবে চুয়াডাঙ্গা এবং হিলি বা ঢাকা রুটে প্রতি দুই ষ্টেশন অন্তর অন্তুর চলে হিজড়াদের চাঁদাবাজি। তাদের নিজস্ব দল এবং নির্দিষ্ট এলাকা রয়েছে যে এলাকার বাইরে কেউ প্রবেশ করে না।
মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিটি বলেন, হিজড়াদের এসব কর্মকা- থামানো যায় না। কিছু বলতে গেলে শারীরিক স্পর্শে উত্যক্ত করতে থাকে। আত্মসম্মান বোধে তাদের বাধা দেয়া যায় না। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বরত পুলিশই এর সঠিক জবাব দেবেন।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইকবাল সংবাদ সংস্থা এফএনএস-কে বলেন, আমার থানার ৪২ সদস্যের মধ্যে সকলেই বিভিন্ন জায়গায় কর্তব্যরত থাকে। তবে প্রতি ট্রেনে মাত্র তিন জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করায় তারা হিমশিম খাচ্ছে। হিজড়াদের সাথে পুলিশের কোন সখ্যতা নেই বলেও দাবি করেন ওসি।
দিনের আলো হিজড়া সংগঠনের রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি মিস. মোহনা সংবাদ সংস্থা এফএনএস-কে বলেন, আমরা ট্রেনে টাকা তোলার পক্ষে নই। আমাদের শহরের স্থানীয় কোন সদস্য এই কাজে জড়িত না। বাইরের হিজড়ারা এসব কর্মকান্ড পরিচালনা করে আমাদের ভাবমুর্তি নষ্ট করছে। তবে তারা পেটের দায়ে অসহায় এবং বাধ্য হয়েই এ কাজে নেমেছে। আমাদের লিঙের সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিলে কেউ কোন অন্যায় কাজে জাড়াবেনা বলেও দাবি করেন মোহনা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net