২৪ এর জুলাই আগস্ট আন্দোলন ঠেকাতে যাত্রাবাড়ীতে দায়িত্ব পালনকারী সিনিয়র সহকারী সচিব তানজিলা আক্তারের হুকুমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনকারীদের উপর নির্মম দমন-পীড়ন চালায়। তাদের গুলিতে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-যুবক-শ্রমিকসহ অনেকেই শহীদ হন ও অসংখ্য লোক আহত হয়। সিনিয়র সহকারী সচিব তানজিলা আক্তার ৩৬ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারে ঢাকা ডিসি অফিসে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে যোগদান করেন প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও খুনি হাসিনার দোসর তানজিলা আক্তার এখনো বীরদর্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছে। তাকে দুই বার ঢাকা ডিসি অফিস থেকে রাজশাহীর ইউএনও হিসেবে পোস্টিং দিলেও তদবির করে সেই অর্ডার বাতিল করেন। তানজিলা আক্তার সাবেক ডিসি ছাত্রলীগ নেতা মমিন এর সময় পোস্টিং পায়। এরপর আসে আরেক ছাত্রলীগ নেতা গোপালগঞ্জের আনিসুর রহমান। ২৪’র জুলাই আন্দোলনের পর আসে মমিন এর আপন ভাগ্নে তানভীর। কাজেই তানজিলার ক্ষমতার দাপটে ধরাকে সরা জ্ঞান করতো। তানজিলা আক্তার একজন ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন। ২৪’র জুলাই যোদ্ধাদের রক্তে রঞ্জিত হাত নিয়ে তানজিলা আক্তার কিভাবে এদেশের মানুষকে সেবা প্রদান করবে বা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবে। যেহেতু সে অতীত সরকারের একজন বিশ্বস্ত সৈনিক খুনি হাসিনার অতীব আস্থাভাজন কাজেই প্রশাসনের ভিতর থেকে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তিনি অবগত হয়ে সরকারকে এবং রাষ্ট্রকে বিপদের মুখে ফেলে দিতে পারে। তানজিলা আক্তারের বিরুদ্ধে অবিলম্বে যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুম-খুন-আহতের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।