আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-২ আসন (কাউখালী,ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) থেকে আপন দুই ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই। বিএনপি থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। তবে বড় ভাইর ঋণ খেলাপির কারণে শনিবার জেলা রিটানিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল করেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি পুনরায় আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন। একই আসনে জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তার আপন ছোট ভাই জেপির ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো: মাহিবুল হোসেন মাহিম। মো: মাহমুদ হোসেন ও মো: মাহিবুল হোসেন মাহিম জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর আপর চাচাতো ভাই। সম্প্রতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পিরোজপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালে তার পরিবারের সদস্যরা নির্বাচনী মাঠে কৌশলগতভাবে সক্রিয় হচ্ছেন এবং তারা পৃথক রাজনৈতিক অবস্থান থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পারিবারিক ক্ষমতা পুনরায় উদ্ধার করতে চান বলে স্থানীয় নেটিজেনরা জানান। এছাড়াও এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জামায়াত ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব দেলোয়ার হোসেন সাইদীর ছেলে শামীম সাইদী, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টরের বেসামরিক প্রধান নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে আহম্মদ সোহেল মনজুর। এছাড়াও এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনয়ন দাখিল করেছেন মোঃ আবুল কালাম আজাদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মনোনয়ন দাখিল করেছেন ফয়সাল খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। স্বতন্ত্র প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের মনোনয়নপত্র নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেছেন। এ নিয়ে আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং জামায়াতের প্রার্থী শামীম সাঈদীর সাথে মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে বলে এলাকাবাসী জানান।