নির্বাচনি প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতির ব্যবহার আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: মাহদী

এফএনএস অনলাইন: | প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
নির্বাচনি প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতির ব্যবহার আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: মাহদী
ছবি, সংগৃহিত

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বললেন, “নির্বাচনি প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দল প্রতীককে জয়ী করাকে ‘ঈমানী দায়িত্ব’ হিসেবে প্রচার করছে, যা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।”

এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, ২৯২টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা লড়ছেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জনেরই ইতোপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের জন্য কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ১৯ জন ইতোপূর্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রার্থীদের রাষ্ট্র পরিচালনার এই অতীত অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা গণমানুষের দল বিএনপিকে একটি ভিন্ন উচ্চতায় রেখেছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের স্বকীয়তা রয়েছে এবং ২৩৭ জন ন্যূনতম স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। 

তিনি বলেন, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক তথা ১০ জন নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নে আমাদের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। এ সংখ্যা আগামী দিনে আরও বাড়বে বলেও তিনি জানান। 

ড. মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সর্তক থাকতে হবে। একটি দল থেকে যেসব এনআইডি সংগ্রহ করা হয়ে গেছে, সেগুলো ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধার প্রলোভন দেয়া হতে পারে ভোটারদের। এই বিষয়ে ইসিকে সতর্ক হতে হবে। 

নারী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হওয়া সত্ত্বেও, একজন নারীকেও মনোনয়ন দেয়নি এমন রাজনৈতিক দলও রয়েছে। যা হতাশাজনক ও দুঃখজনক।” 

বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সবচেয়ে বেশি গুম, খুন, নিপীড়ন, নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছে বিএনপি। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ফ্যাসিস্ট কর্তৃক নির্যাতিতদের আধিক্য রয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে