ভোলার বোরহানউদ্দিনে নির্বাচনী গণসংযোগকালে টবগী ইউপি’র ৭নং ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামী কর্মী ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে বাড়ীতে ঢ়ুকতে না দেয়াকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় দুই দলের কমপক্ষে ১২ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। ঘটনায় জামায়েত ইসলাম ও বিএনপি’র কর্মীরা একে অপরকে দায়ী করছে। উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব কাজী আজম বলেন সকাল বেলা জামায়েত ইসলামীর কর্মীরা তাদের দাড়ীপাল্লা প্রতিকের নির্বাচনী প্রচারনায় স্থানীয় চৌকিদার বাড়ীতে গেলে বাড়ী থেকে জনানো হয় যে, বাড়ীর পুরুষ গণ ক্ষেতে কাজ করতে গিয়েছে এবং মহিলারা গোসল সহ গৃহস্থলির কাজে রয়েছে এবং ক্ষেতে কাজ করা পুরুষদের খবর দিলে তারা খালি বাড়ী বলা স্বত্ত্বেও কেন জামায়েত এর কর্মীরা বাড়ীতে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে বাড়ীর লোকজন সহ স্থানীয় বিএনপির কর্মীদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরে। এর জের জের ধরে জামায়েত ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ঘটনায় বিএনপি’র ১২ জন আহত হয়েছে। ওই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান নুরুল করিম জানান, দাড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির কর্মীরা বাঁধা দেয় ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে তাদের ৬ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন। বোরহানউদ্দনি থানার অফসিার ইনর্চাজ (ওসি) তদন্দ রিপন কুমার জানান , গণসংযোগকালে দুই পক্ষরে মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। বর্তমানে পরিস্থতি আমাদের নিয়ন্ত্রনে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।