আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিতকৃত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ ) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার এর কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা, এনএসআই-এর উপ-পরিচালক মাহমুদ ইফতেখারুল হক, শেরপুর সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন জাহিদ আল ইমরান, শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-আমিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার শুভাগত সরকার বর্ণ, বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, আনসার ভিডিপির সহকারী জেলা কমান্ডেন্ট মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুদ, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান, সহকারী রিটেনিং কর্মকর্তা ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক, র্যাব-১৪ প্রতিনিধি মাসুদ আলম ভূঁইয়া, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেজুয়ান, বিশিষ্ট সমাজসেবক রাজিয়া সামার ডালিয়া, শেরপুর প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিবৃন্দ । মত বিনিময় সভায় আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিতকৃত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করতে যা যা করা দরকার তা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ৪ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতে প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ইন্তেকাল করায় ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এ আসনে এবার নির্বাচনে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা) মাসুদুর রহমান এবং বাসদ (মার্কসবাদী) দলের প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কাঁচি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে দুই উপজেলার মোট ১৭ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১২৮ টি ভোট কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন।