জামালপুরে জ্বালানি তেল সংকটে বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

এফএনএস (সরকার আবদুর রাজ্জাক; বকশীগঞ্জ, জামালপুর) : | প্রকাশ: ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
জামালপুরে জ্বালানি তেল সংকটে বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

জামালপুর বকশীগঞ্জে ডিজেল সংকটের কারণে বোরো ধানের চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপজেলার হাজার হাজার কৃষকরা।

বাড়তি দামেও ডিজেল না পেয়ে উপজেলা উপজেলার হাজার হাজার কৃষকরা আবাদ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন 

ভারতের সীমান্তঘেষা উত্তরের জেলা জামালপুর। নদ নদী ও চর বেষ্টিত এইউপজেলার 

বেশিরভাগ ভাগ মানুষের পেশা কৃষিকাজ। কৃষির ওপর নির্ভর করে জীবনমান পরিচালিত হয় এই উপজেলার মানুষের। 

চলতি ইরি বোরো মওসুমেকৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এ উপজেলায় এবার ১ লাখ ২৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে ইরান- আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সারাবিশ্বে জ্বালানি তেলের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি বিভাগের ওপর। গত কয়েকদিন ধরে জামালপুর জেলায় তীব্র ডিজেল সংকট দেখা দিয়েছে। পাম্প গুলোতে থেমে থেমে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে সেই তেলও  সঠিকভাবে পাচ্ছেন না কৃষকরা। সময় মত ডিজেল না পাওয়ায় বোরো ধান চাষে সেচ ব্যাহত হচ্ছে। 

 অনেক জায়গায় ডিজেল সংকটের কারণে কৃষকরা ধান ক্ষেতে পানি দিতে পারছেন না। অনেক জায়গায় বাড়তি দামে তেল কিনে ক্ষেতে পানি দিতে হচ্ছে কৃষকদের। পাম্পে গিয়ে লাইন ধরেও মিলছে না এক লিটার ডিজেল। ফলে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন তারা।

কৃষকরা জানান, সরকারি মূল্য ১০৫ টাকা ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। ধানের আবাদ রক্ষায় কৃষকরা অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে ডিজেল কিনছেন। ফলে একদিকে কৃষি উৎপাদনে খরচ বেশি হচ্ছে অন্যদিকে চাষাবাদে বিপর্যয়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

তাই জ্বালানি সংকট দূর করে কৃষকদের আবাদ রক্ষায় সরকারকে মনোযোগী হওয়ার অনুরোধ করেছেন স্থানীয় বিজ্ঞমহল।

 : ৭ টি স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষক, ১ টি পাম্প ম্যানেজার জানান

ডিজেল সংকটের কারণে আমরা আবাদ করতে পারছি না। ফলে অতিরিক্ত দামে তেল কিনতে হচ্ছে। এব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।  

আমিনুল ইসলাম,  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, আমিনুল ইসলাম জানান 

প্রথম দিকে ডিজেলের চাহিদা থাকলেও বৃষ্টি হওয়ার পর এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে

বর্তমান পরিস্থিতি ও বৃষ্টি কমে গেলে কৃষি আবাদের জন্য ডিজেলের চাহিদা বাড়বে।