কেশবপুরের সাহাপুর গ্রামে মুজিবুর রহমানের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় মুজিবুর রহমানের স্ত্রী ছায়রা খাতুন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়ে যশোরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যার নং সি আর ১৬৭/২৬। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ টি আমলে নিয়ে পি বি আই কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ১৯ মার্চ বিকেলে বাদিনী ছায়রা খাতুনের বসতঘরের বারান্দা সহ উঠানে বিবাদী উপজেলা তেঘরী গ্রামের হাবিবুর রহমান, সাতবাড়িয়া গ্রামের চম্পা বেগম, তেঘরী গ্রামের সুরাইয়া বেগম, ববিতা বেগম,মশিয়ার রহমান, করিমন বেগম কামরায় গাজী, মমতাজ বেগম, মশিয়ার রহমান, ফাতেমা বেগম ও মর্জিনা বেগম জোট বদ্ধ হয়ে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে বাদিনীর বসত ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং বাঁধা দেয়ায় তাদের হাতে থাকা ধারালো দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া দিয়ে বাদিনীকে হত্যার উদ্দেশ্য কোপ দিলে বাদিনীর কাণ জখম হয়। এ সময় তারা বাদিনী সহ পরিবারের লোকজন কে মারপিট করে বসত ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও বাক্সের ভিতর থাকা জমির দলিল ও মূল্যবান কাগজ পত্র নিয়ে নেয় এবং বসতঘরের চারিপাশে লাগানো ফলজ ও বনজ গাছের ক্ষতি সাধন করে। এবং বসতঘর থেকে বের করে দেয়। গুরুতর জখম ছায়রা খাতুন চিকিৎসা শেষে বিজ্ঞ আদালতে শরণাপন্ন হয়। বর্তমানে বাদিনী পরিবার পরিজন নিয়ে দূর্বিষহ জীবন যাপন করছেন বলে অভিযোগ।