রাণীশংকৈলে সীমান্ত পাহারায় টহল দিতে বিজিবি’র ভোগান্তি

এফএনএস (রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও) :
| আপডেট: ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম | প্রকাশ: ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
রাণীশংকৈলে সীমান্ত পাহারায় টহল দিতে বিজিবি’র ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কোচল বিওপি এলাকায় কাঁচা রাস্তার কারণে সীমান্ত পাহারায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিজিবি সদস্যরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোচল বিওপি থেকে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে পৌঁছাতে একমাত্র ভরসা কাঁচা রাস্তা। শুকনো মৌসুমে কোনোমতে যাতায়াত সম্ভব হলেও বৃষ্টি হলে রাস্তাগুলো কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুম এলেই কাদামাটিতে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, ফলে টহল কার্যক্রম পরিচালনায় নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পায়ে হেঁটে টহল দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েন বিজিবি সদস্যরা। এদিকে সীমান্ত এলাকার আশপাশে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কোচল কমিউনিটি সেন্টার, কোচল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিসমত সিন্দাগড় উচ্চ বিদ্যালয়, হরিবাসর, মসজিদ ও মন্দির। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে তাদের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কোচল এলাকার জন সাধারন জানায়, এরাস্তাটির প্রথম অংশে ১৯৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ৩মিটার প্রস্ত যাহা গত আগষ্ঠ মাসে শেষ হয়েছে। মানুষ এখন কৃষিপন্য বাজারজাত করতে পারচ্ছে,দূর্ঘটনা কমেছে,শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যাতায়াতে সুবিধা পাচ্ছে। বাকি রাস্তাটুকু পাকা করণ হলে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলও সহজ হবে। তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তা পাকাকরণের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ঠ্য ইউপি সদস্য শাহাজান আলী বলেন, রাস্তাটির কাজ ভাল হয়েছে মানুষ সহজেই মহেন্দ্র গাড়ী,ট্রলি,ভ্যানগাড়ীসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে যাতায়াত করছে । বাকি রাস্তটুকু পাকা হলেই কোচল বিওপি পর্যন্ত যাতায়াত করতে পারবে।  এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, এরাস্তাটি মানুষের অনেক দিনের চাহিদা, ইতোমধ্যে লেহেম্বা ইউনিয়নের পকম্বা গ্রামে জিডিডিআইডিপি/ঠাক/রাণী/ইউএনআর/১১৩ এর ইনপ্রভারমেন্ট অফ লেহেম্ব ইউপি (গোগর হাট) কোচল হাট বিওপি ভায়া পকম্বা রোড কাজটি ১৯৫০ মিটার দৈর্ঘ ৩মিটার প্রস্ত কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। এতে এলাকার মানুষ উপকৃত হচ্ছে। বাকি কাজটি সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে