কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে সরকারি রাস্তা থেকে অবাদে লক্ষ লক্ষ টাকার মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার মহোৎসব উঠেছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একের পর এক সরকারি গাছ চুরি ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের ভূমিকা এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। নামমাত্র অভিযোগের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার উপজেলার আগরপুর-ভাগলপুর রাস্তার রামদী বরচর ফিড মিল সংলগ্ন এলাকায় একদল গাছ খেকো জমির ঘেষে থাকা রাস্তা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় এক লক্ষ টাকার সরকারি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। পাশ্ববর্তী মনোহরপুর গ্রামের শহিদুল গাছগুলো কাটতে পাঠিয়েছেন বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়টি কুলিয়ারচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াছিন খন্দকার ও কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী আরিফ কে বিষয়টি জানালেও রহস্যজনক কারণে এটি থেমে যায় পরে তারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা নিষেধ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াছিন খন্দকার আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নিবেন বলে উল্লেখ করেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের একশত গজ দুরে সরকারি খাল ও রাস্তার পাশ থেকে ২০-২৫টি সরকারি গাছ কেটে নিয়ে গেছে এক দল দুর্বৃত্ত। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য ৮-১০ লক্ষ টাকা। এছাড়া একই ইউনিয়নের ১৮টি গাছ চুরির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সেই অভিযোগে থানায় মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি ও তদন্তও করা হয় নি। এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ২৪-২৬ জুলাই একই স্থান থেকে ২-৩টি গাছ কাটা হয়েছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। গাছ কাটার পরও উপজেলা প্রশাসনকে উৎসুক জনতা জানালেও কয়েকদিন পর অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায় এসব গাছ কাটা খেকো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়টির কোন পদক্ষেপ নেয় নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন কী?