মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নে কলেজরোড সাতকাহনিয়া সংযোগ সড়ক এলাকায় ভূমি নিয়ে বিরোধ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসী কায়দায় অর্তকিত হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ হামলায় অন্তত নারী সহ মোট চারজন আহত হয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় আহতরা হলেন জরিনা বেগম (৬০), সুমী আক্তার (৩৫), মো. কাসেম (৪০) ও তাসিন (১৪) সহ মোট চারজন হামলায় আহত হয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসারত।
এই বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আশ্ররাফুল আলম এর সাথে কথা বলে জানা যায় হামলায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এখন আশঙ্কা মুক্ত, আহতদের পরবর্তী চিকিৎসা চলমান রয়েছে। এঘনায় গজারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগকারী সুমি আক্তার (৩৫) বলেন আমার মা ভবেরচর ইউনিয়নের শ্রীনগর মৌজায় আর এস ২২৯ নং দাগে ওয়ারিশ সূত্রে ২.৮৫ শতাংশ জমি প্রাপ্ত হয় এবং আমার খালা করিমন নেছা হতে ২.৮৫ শতাংশ জমি খরিদ সূত্রে মালিক হয় একনে মোট ৫.৭০ শতাংশ জমি তিনি আমাকে হেবাই দান কাবলা করে। উক্ত জমিতে আমি বালু ভরাট করে ঘর তৈরি করে দখল বিদ্যমান থাকা অবস্থায় মোঃ মজিবর (৬০) আতাউর রহমান (৫৬) আনিছুর রহমান (৫২) ইয়াসমিন বেগম (৩৫) ফাহিম(২২) জিদান (২০) নামের বিবাদীরা ইতিপূর্বে আমার তৈরি বাড়ী ঘর ভাঙ্গচুর করে এবং গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা আমার মায়ের নামে থাকা বিভিন্ন দাগে প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পত্তি ৫০ লক্ষ টাকা বায়না দলিলে স্বাক্ষর করার জন্য বলে, তিনি স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করলে অপরাধীরা আমার আমার মায়ের ও আমার মেয়ের গলায় চুরি ধরে শ্লালীনতা হানি ও মারধর করে। আমার বসত ঘর ভাঙ্গচুর ও আমার স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট করে, পরে আমাদের আর্তচিৎকার শুনে আশে পাশে মানুষে ছুটে আসে। তাদের উপস্থিত টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় এবং স্থানীয় লোকজন আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নকীব আকরাম বলেন ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে, আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।