সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে মাতৃ ও শিশুর পুষ্টি উন্নয়নে মাল্টিপল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সাপ্লিমেন্টস (এমএমএস) বিষয়ে পরিচিতি পর্ব ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) এফআইভিডিবি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকবাল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. কামাল উদ্দিন।
‘টেকসই পুষ্টির লক্ষ্যে বৈশ্বিক জোট’-এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার অংশ হিসেবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গ্রাম্য চিকিৎসক, স্যাকমো (ঝঅঈগঙ), কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (ঈঐঈচ) ও ফার্মেসি মালিকরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে মেইন (গঁষঃরংবপঃড়ৎধষ অষষরধহপব ভড়ৎ ওসঢ়ৎড়াবফ ঘঁঃৎরঃরড়হ-গঅওঘ) প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, প্রকল্পের লক্ষ্য, কার্যপদ্ধতি, কর্মপরিকল্পনা ও বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। মেইন প্রকল্পের পরিকল্পনা পরিচালক ইসরাত হাসান প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় এমএমএস (মাতৃকোণা) এবং এমএনপি (পুষ্টিকোণা) সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন ড. সুবীর খিয়াং বাবু। সরকার ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিশেষজ্ঞরা। অনুষ্ঠানে কেয়ার বাংলাদেশের মেইন অ্যালায়েন্স টিমের টিম লিডার ও সিএসএ ফর সান ইন বাংলাদেশের কো-চেয়ার মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম বক্তব্য দেন। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের পরিচালক-প্রোগ্রাম ও প্রশিক্ষণ জামিরুল ইসলাম। পরে ঝঅঈগঙ, ঈঐঈচ, গ্রাম্য চিকিৎসক ও ফার্মেসি মালিকদের নিয়ে এমএমএস বিষয়ে পৃথক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সংলাপে কেয়ার বাংলাদেশের প্রজেক্ট অফিসার শেখ রাফিয়া করিম, আইডিইঊ-এর মার্কেট ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. মোশারফ হোসেন ও মো. আলী ইসলাম, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের জয়ন্ত কুমার, আবু সাইদ, কুদরত পাশা, আবু উবায়দা, হারানচন্দ্র ধন, গোলাম ইজদানি প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে এমএমএসসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিসেবা সম্পর্কে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক ও ওষুধ বিক্রেতাদের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়ের সেবাদানকারীদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব।