আমতলীতে নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে অ্যাডভোকেসি সভা

এফএনএস (মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান; আমতলী, বরগুনা) : | প্রকাশ: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
আমতলীতে নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে অ্যাডভোকেসি সভা

মঙ্গলবার সকালে আমতলী উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। অ্যাক্টিভিস্তা বরগুনার উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস। এনএসএসের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন এনএসএসের নির্বাহী পরিচালক শাহাবুদ্দিন পাননা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী। আমতলী সরকারি কলেজের সাবেক প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন, আমতলী উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আলী কাজী ও সাংবাদিক আবদুর রহমান সালেহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা সভায় বক্তব্য দেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আফজাল হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি জসিম শিকদার, আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক মহসীন মাতুব্বর, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, আমতলী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক আবু জিহাদ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি আমতলী শাখার সাধারণ সম্পাদক জোসেফ মাহতাব।  সভায় কমিউনিটি কনসালটেশনের ফলাফল ও উপজেলা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন তারুণ্যের আলো যুব ফোরামের সভাপতি মুক্তা রানী ও ওয়াহিদুল করিম তনু। অনুষ্ঠানের শুরুতে নেক্সাস প্রোগ্রামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটি সচেতনতামূলক নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। পরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের দাবিতে সংগীত পরিবেশন করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, দুর্বল বেড়িবাঁধের কারণে উপকূলীয় এলাকার মানুষের বসতবাড়ি ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধারের ব্যয়ও বেড়ে যায়। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতার ঘাটতি থাকায় জরুরি সাড়াদানে বিলম্ব হয় এবং মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

বক্তারা আরও বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, কার্যকর সমন্বয় এবং সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, যুবসমাজ, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অ্যাডভোকেসি সভায় সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, যুব সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ২০০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে