তানোরে স্কুলের জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

এফএনএস (সাইদ হোসেন সাজু; তানোর, রাজশাহী) : | প্রকাশ: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:১০ পিএম
তানোরে স্কুলের জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

রাজশাহীর তানোর উপজেলার  চৌবাড়িয়া মালশিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্পত্তি জায়গা জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও ভিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষক শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) সকালে স্কুলের সামনে চৌবাড়িয়া-দেলুয়াবাড়ি রাস্তার দুপাশে ঘন্টাব্যাপী দাঁড়িয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, ১৯৬৫ সালে চৌবাড়িয়া মালশিরা স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। স্কুলের পশ্চিম পার্শ্বের রাস্তার ধারের খতিয়ান নম্বর ১, জেল নম্বর ১৬৩, মৌজা চৌবাড়িয়া, দাগ নম্বর ৪৬৫, শ্রেণী স্কুল, পরিমাণ ২০ শতক জায়গা ১৯৬২ ও ১৯৭২ সালে স্কুলের নামে রেকর্ড সম্পত্তি ফাঁকা পড়ে ছিলো। ওই জায়গাটিও স্কুল কর্তৃপক্ষ শান্তিপূর্ণ ভাব ভোগ দখল করে আসছেন।  দীর্ঘদিন আগে ওই ২০ মতক জায়গার উপর স্কুল কর্তৃপক্ষ পাঁকা বিল্ডিং নির্মান শুরু করলে ওই ২০ শতক জায়গা নিজেদের দাবি করে মান্দা উপজেলার ভারশো ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের আব্দুলের দুই পুত্র বেলাল এবং হোসেন আলী পৈতৃক সুত্রে এসব জমির মালিক দাবি করে আদালতে মামলা করেন। ২০২৬ সালের ২৪ মে আদালত থেকে তারা রায় পেয়েছেন। এমতাবস্থায় স্কুল কর্তৃপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করেছেন য়া এখানো বিচারাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে টিনের বেড়া দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন হোসেনপুর গ্রামের আব্দুলের পুত্র বেলাল ও হোসেন। এমতাবস্থায় রোববার স্থানীয় অভিভাবক মহল ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই অবৈধ ঘর ভেঙে দেয়। এঘটনা নিয়ে উভয়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই প্রতিবাদে স্কুল কর্তৃপক্ষ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এলাকাবাসী বলেন হঠাৎ গভীর রাতে হোসেনপুর গ্রামের আব্দুল ও তার  দুই পুত্র বেলাল এবং হোসেন আলী বহিরাগত ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে স্কুলের পাঁকা বাউন্ডারী ওয়াল ভেঙে সেখানে টিন দিয়ে ঘর নির্মান করেন। 

এবিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, আব্দুল নামের এক ব্যক্তি জাল দলিল সৃষ্টি করে স্কুলের জায়গা জবর দখলের জন্য স্কুরের প্রাচীর ভেঙে রাতারাতি টিন দিয়ে ঘর করে স্কুলের জমি দখলের চেস্টা করছে। এবিষয়ে তারা প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুলের পুত্র বেলাল উদ্দীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পৈতৃক সুত্রে ওই জমি আমাদের। আমরা আদালতের রায় পেয়ে দোকান ঘর নির্মান করে ব্যবসা শুরু করি। কিন্ত্ত স্কুলের লোকজন এলাকার কিছু লোকজন নিয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছেন বলেও জানান তিনি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে