নিজের অন্যায় অপকর্মের অপরাধ ঢাকার জন্য বরিশালের আগৈলঝাড়া একনারী আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ১৭ আগষ্ট বরিশালের আদালতে ওই নারী নালিশি মামলা দায়ের করে।আদালতের নির্দেশে ২৫ আগষ্ট আগৈলঝাড়া থানা মামলাটি রেকর্ড করেছে।সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য দাবি করেছেন সাংবাদিক ও সচেতন মহল।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাদত্রিশিরা গ্রামের সৌদি প্রবাসী সেলিম বক্তিয়ারের বড় মেয়ে জান্নাত বেগমকে একই এলাকার কালাম খানের ছেলে রাজিব খানের কাছে বিবাহ দেয়।সেলিম বক্তিয়ার সৌদি আরব থাকার সুবাদে তার স্ত্রীর সাথে মেয়ের শশুর বেয়াই কালাম খানের সাথে পরকিয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বেয়াই ও বেয়াইনের পরকিয়ার কথা এলাকায় ভাষতে থাকে। ওই সংবাদ সংগ্রহ করতে স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ চাদত্রিশিরা গ্রামে যায়।সাংবাদিক স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে চলে আসেন। প্রবাসীর স্ত্রী (৫০) তার নিজের অপরাধ ঢাকার জন্য আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি আকাশ হাওলাদার ও উপজেলার চাদত্রিশিরা গ্রামের ফয়জদ্দিন খানের ছেলে বাবুল খান (৪০)এর বিরুদ্ধে ১৭ তারিখে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন।এমপি মামলা নং- ৪০৬/২৬। আদালত মামলা আমলে নিয়ে আগৈলঝাড়া থানা ওসিকে এজাহারের নির্দেশ দেয়।আদালতের আদেশে আগৈলঝাড়া থানা ওসি ২৫ আগষ্ট মামলাটি এজাহার করেন।
স্থানীয় তুহিন বখতিয়ার ,আকরাম খান, মাসুদ বক্তিয়ার, জামাল বখতিয়ার ও মাফুজা বেগম সহ অনেকে জানান , সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে আসে।এখানে প্রবাসীর স্ত্রী যে মামলা দিয়েছে তা মিথ্যা। ওই মামলার কোন সত্যতা নাই। ওই মহিলা তার নিজের অপরাধ ধামাচাপা দেবার জন্য ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করছে। এব্যাপারে সাংবাদিক আকাশ হাওলাদার বলেন, আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে একটি সংবাদ পাই। উপজেলার চাদত্রিশিরা গ্রামে বেয়াই ও বেয়াইনের একটি অনৈতিক সম্পর্ক। এই নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা। আমি একজন সংবাদ কর্মী হিসেবে আমার সহপাঠী সাংবাদিকদের নিয়ে ৯ আগষ্ট সংবাদ সংগ্রহ করতে যাই। তখন আমাদের সাথে ওই এলাকায় স্থানীয় নারী ও পুরুষ ছিলো।আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা করেছে। তার কোন সত্যতা নাই, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে।এই মিথ্যা মামলায় আমার সমাজে মান হানি হয়েছে। এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানা ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, আদালত থেকে একটি মামলা আসছে। আদালতের নির্দেশ অনুসারে মামলাটি এজাহার ভুক্ত করা হয়েছে এবং মামলাটি তদন্ত চলছে।