সংরক্ষিত নারী আসনের (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা বলেছেন,এই চাটমোহরে আমার জন্ম,এই চাটমোহরেই আমি বড় হয়েছি,মারা গেলে এখানেই আমার কবর হবে। তাই চাটমোহরে কোন বহিরাগতকে মেনে নেওয়া হবে। বহিরাগতর আস্তানা চাটমোহরে হবে না। গত নির্বাচনে দল একজন বহিরাগতকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। আমি দিন রাত পরিশ্রম করে তাকে চাটমোহরে ২০ হগাজার ভোটে জিতিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এমপি হতে পারেননি। এখন দলকে বিভক্ত করছেন। তাই এই এলাকায় তাকে মানা হবেনা।
গতকাল শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে চাটমোহর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এমপি রুমা বলেন,গত তিন মাস যাবত আমি এমপি হয়েছি। এখনো আমি এলাকার উন্নয়নের কথা ফেসবুকে দেইনি। আজ থেকে দেবো। এলাকার উন্নয়ন করবো। আপনারা আমার কাছে আসবেন। আমি সব সময় সহযোগিতা করবো।
সমাবেশের প্রধান বক্তা পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ বলেন,রুমা পার্লামেন্ট সদস্য আর আমি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব। রুমা উন্নয়ন দেখবে,আমি সাংগঠনিক বিষয় দেখবো। বহিরাগত কেউ এখানে কোন সুবিধা নিতে পারবে না। তিনি প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সজাগ থাকার আহবান জানান।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলমের সভাপতিত্বে ও পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল করিম তারেকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন,পাবনা জেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ। সমাবেশে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য দেন,পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এ এম জাকারিয়া,সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান,মনির উদ্দিন মনি,হরিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজির সরকার,গুনাইগাছা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মওলা,মূলগ্রামের আনোয়ার হোসেন,ডিবিগ্রামের মজনুর রহমান,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসেন,মহিলা নেত্রী শিরিন শিলা,বিলচলনের গোলজার হোসেন,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফুলচাদ হোসেন শামীমসহ বিএনপি'র স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল র্যালি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।