শেখ হাসিনার মৃত্যু ও কবর এই দেশে হবে না: সারজিস

এফএনএস (প্রতিবেদক): | প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
শেখ হাসিনার মৃত্যু ও কবর এই দেশে হবে না: সারজিস

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন না। শেখ হাসিনা ১ হাজার ৪০০ মানুষকে খুন করে ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁর মৃত্যু এই দেশে হবে না, কবরও এই দেশে হবে না। 

শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

তিনি বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু কিংবা তার কবর- কোনোটিই বাংলাদেশের মাটিতে হবে না। বরগুনায় মঙ্গলবার  এনসিপির জেলা শাখা আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “শেখ হাসিনা এক হাজার ৪০০ মানুষকে খুন করে একটি স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আর কোনোদিন ফিরে আসবেন না। শেখ হাসিনার মৃত্যু এই দেশে হবে না, কবরও এই দেশে হবে না।”

দিনব্যাপী কর্মসূচিতে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে দুপুর ১টার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। মতবিনিময়কালে বিএনপিকে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ ও দলীয়করণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান সারজিস। শেখ হাসিনার শাসনামলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “অপরাধীদের পদ দেখে আশ্রয় দিলে বিএনপি একসময় অপরাধের অভয়াশ্রমে পরিণত হবে।”

সম্প্রতি অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে সারজিস বলেন, ওই ঘটনায় বিএনপির কোনো ভূমিকা না থাকায় তিনি ক্ষুব্ধ। জড়িত ব্যক্তিদের বিচারে সরকারের হস্তক্ষেপও দাবি করেন তিনি।

দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের জন্য সরকারি অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ রক্ষায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন সারজিস।

একই সঙ্গে জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এনসিপি পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে, সরকার জুলাই সনদ নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেন সারোয়ার তুষার। দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান সরকার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করা এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন নেতারা।