‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রত্যয়ে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত হয়েছে। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্বম্ভরপেুর উপজেলা পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্বম্ভরপুর পিএফজির পসিি এম্বাসেডর আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং পিএফজি সমন্বয়কারী ফুল মালা ও ইয়থের সামছুল কবির এর যৌথ সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস প্রকল্পের কুদরত পাশা।
কুদরত পাশা বলেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (এমআইপিএস) প্রকল্প শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। বহুদলীয় পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ (ওয়াইপিএজি) এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ইন্টারফেইথ পিস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রীতি সমাবেশ, সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মানববন্ধন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও নাটিকা মঞ্চায়নের মতো বিভিন্ন পিস ইভেন্টের মাধ্যমে সমাজে সহনশীলতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন পিস এম্বাসেডর সিরাজ খন্দকার, স্বপ্না আক্তার, পিএফজি সদস্য ফুল মিয়া, মিজানুর রহমান, জুবায়ের আহমদ জুলহাস, আজিজা খাতুন, মিনাজ পারভীন, আব্দুস সামাদ, হোসাইন আহমদ, অর্চনা দেবী, ঊর্মিলা, ইয়থের সুইটি পাল, সাগর দেবনাথ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও সামাজিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সংলাপের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। তারা সহিংসতা, গুজব, অপতথ্য ও ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।