আশাশুনি থানার সদ্য বদলীকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আরিপের বদলী আদেশ বাতিলের দাবী ও তাকে পুনরায় আশাশুনি থানায় বহালের দাবীতে রাজনীতিবিদ ও সচেতন মহল সরব প্রতিবাদ শুরু করেছেন।
সদ্য বদলীকরা ওসি জাহাঙ্গীর আরিপকে মাত্র ১ মাস ১৩ দিন আশাশুনি থানায় দায়িত্বে থাকাবস্থায় বদলী করা হয়েছে। এনিয়ে আশাশুনুতে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। সচেতনমহল থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদদের মাঝেও আলোচনা এখন তুঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে সায়বাদিকরা তথ্য সংগ্রহে গেলে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মতামত ব্যক্ত করেন। আমরা কয়েকজনের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন জানান, ওসি জাহাঙ্গীর আরিপ ১ মাস ১৩ দিন আশাশুনিতে দায়িত্বে ছিলেন। এই সংক্ষিপ্ত সময় আশাশুনির আইন শৃংখলার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ঐ সময় ঢাকাসহ সারাদেশে স্বৈরাচারদের দোসররা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। বিদায়ী ওসি আশাশুনি থানাকে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম দক্ষতার সাথে নিস্তব্ধ করেন। বিএনপি-জামায়াত নেতৃবৃন্দের সহায়তায় তিনি ব্যাপক তৎপর ছিলেন। তাকে হঠাৎ বদলী কথিত স্বৈরাচারের দোসরদের বড় ধরনের চক্রান্তের অংশ বলে আমরা মনে করি। আমরা তাকে বদলীর প্রতিবাদ জানাই।
উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ জানান, ওসি জাহাঙ্গীর আরিপ ১ মাস ১৩ দিনে জেলার সকল থানার চেয়ে অনেক বেশী মাদক মামলার আসামী গ্রেফতার করে প্রশংসিত হন। তাকে বদলীর পর মাদক ও মামলার আসামী গ্রেফতার হয়নি। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও অপরাধীদের গ্রেফতার করে তিনি আইন শৃংখলা রক্ষায় সফল ছিলেন। আমরা চাই তাকে পুনরায় আশাশুনি থানায় ওসি হিসাবে বহাল করা হোক।