ঝিনাইদহে পরকীয়া সন্দেহে এক গৃহবধূকে পৈশাচিক কায়দায় চুল কেটে, শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি চাপা থাকলেও এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকালে ঝিনাইদহ নলডাঙ্গা ইউনিয়নের করাতি পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শুক্রবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন, একই গ্রামের তন্নী খাতুন (টনি খাতুন) তার দুই মেয়ে ওনি ও কোনি, ছেলে শুভ এবং প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ।স্থানীয় সূত্র ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, কালীগঞ্জ ভূমি অফিসে কর্মরত একই গ্রামের বাসিন্দার সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন তন্নী খাতুন। এর ঘেটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে তন্নী খাতুন তার দুই মেয়ে ওনি ও কোনি, ছেলে শুভসহ আরও কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে দলবদ্ধ ভাবে ওই নারীর বাড়িতে চড়াও হন। বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি জোরপূর্বক তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং শরীরে পৈশাচিক কায়দায় মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর আর্তচিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে তন্নী খাতুন পালিয়ে যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদ-উজ-জামান জানান, ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।