পাবনার ঈশ্বরদীতে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই (নেসকো) রেজি নং বি-২২৩৩ সিবিএ ঈশ্বরদী শাখার উদ্যোগে নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাবনা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল গফুর। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে নেসকো ঈশ্বরদী কার্যালয়ে নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (নেসকো) ঈশ্বরদী শাখার সভাপতি জামিল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন, মোহাম্মদ কামরুল হায়দার সভাপতি নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই (নেসকো) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন বি-২২৩৩, বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঈশ্বরদী উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি ভাষা প্রামানিক, সাইদুল কবির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বগুড়া জেলা শ্রমিক দল, আনোয়ার হোসেন সাবেক সহ-সভাপতি বগুড়া জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং সহ সভাপতি বগুড়া নেসকো জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, মোহাম্মদ মানজারুল ইসলাম (নেসকো) শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গোলাম মোস্তফা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেসকো জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন, মোঃ সোহেল রেজা প্রচার সম্পাদক নেসকো কর্মচারী ইউনিয়ন, মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ক্রীড়া সম্পাদক নেসকো শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন, মোহাম্মদ মাহবুব রশিদ সদস্য সচিব বগুড়া নেসকো শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, নেসকো শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ঈশ্বরদী শাখার সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা।
বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারীরা নিজের পরিবারের জন্য এবং দেশের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে চলছেন। মাঝে মধ্যেই দেখা যায় কাজ করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারের সাথে শ্রমিকেরা ঝুলে আছে। এরপরেও ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকেরা কাজ করে থাকেন। শ্রমিকেরা হচ্ছে এদেশের চালিকাশক্তি। শ্রমিক না থাকলে কল কারখানা এবং দেশ চলতে পারে না। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য সিবিএ নির্বাচনের প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের শ্রমিকদের পদোন্নতি খুবই কম। কিন্তু অফিসে এয়ারকন্ডিশন রুমে বসে থাকা কর্মকর্তাদের অতি দ্রুত পদোন্নতি হয়।
বক্তারা আরও বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিরবে কাজ করে গেছেন। তারই উত্তরসূরী গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দেশ পরিচালনা করছে। দেশ নায়ক তারেক রহমান তাদের পথেই সফল ভাবে দেশ পরিচালনা করে চলেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন নিপীড়নের কারণে আমাদের শ্রমিক-কর্মচারীরা কথা বলতে পারতেন না। দলীয় কর্মকাণ্ড করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বাধা বিপত্তিতে পড়তে হয়েছে। ৩৬ জুলাইয়ের আগে ছাত্রদের পরেই বেশি নিহত হয়েছে আমাদের শ্রমিকেরা। শ্রমিকের শ্রমে ঘামে এগিয়ে চলেছে এ দেশ। দলের স্বার্থে সকলকে একত্রিত ভাবে কাজ করতে হবে।