কালীগঞ্জে দৃষ্টিনন্দন ব্রিজের দু,পাশ এখন হকারদের দখলে

এফএনএস (টিপু সুলতান; কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ) : | প্রকাশ: ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
কালীগঞ্জে দৃষ্টিনন্দন ব্রিজের দু,পাশ এখন হকারদের দখলে

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ শহরে বিভিন্ন মানুষ বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন চিত্রা নদীর উপর দৃষ্টি নন্দন ব্রিজের উপর দিয়ে।প্রতিদিন ব্রিজের উপর আটকে পড়ছে দু,পাশ দখলকারী ব্যবসায়িদের দোকানের কারনে।কালীগঞ্জ শহরের চিত্রা নদীর উপর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ব্রিজটি এখন হকারদের দখলে চোলে গেছে।কালীগঞ্জ শহরের চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ব্রিজের দুই পাশে ফুটপাতে নানা ধরনের ভ্রাম্যমাণ দোকান গড়ে উঠেছে।বিশেষ করে খাবার পানীয়, বিভিন্ন সবজি দোকান, আলু,পিয়াজ, তাল,গরু মাংশের তিনটি দোকান,সব ধরনের ফল, ফাস্ট ফুড, ডাব, চা ও পানের দোকান রয়েছে, পাটি,লিচু, আম,আবার নদীর ওপর বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে তৈরি মাংস বিক্রির অবৈধ দোকান রয়েছে,পোশাক ও জুতা,কাপড়ের দোকানও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছে।এই ব্রিজ ব্যাবহার করে স্থানীয় জনগনের শহরের ব্যস্ততম এলাকায় নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বর্তমানে ব্রিজটি এখন যেন বাজারে পরিনত হয়েছে। 

এই ব্রিজের দু,পাশের অনেকটাই চলে গেছে হকার ও ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের দখলে। যে কারনে শহরের মধ্যে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্নক যানজট।বিশেষ করে ছন্দা সিনেমা হল ও শহরের জনতা মোড়,কালীবাড়ি মোড়,মুসলিম বেকারির সামনে পর্যন্ত রাস্তায় ব্যাপক জানজট লেগে থাকে।কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পোরসভাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা এই দৃস্টি নন্দন সেতু। আর এই সেতু এখন হকার দখলে। আবার যশোর ঝিনাইদহ মহাসড়ক খারাপ থাকার কারনে বিভিন্ন যানবাহন কালীগঞ্জ শহরের মধ্যদিয়ে চলাচল করে।কিন্তু এসব ব্যবসায়িরা কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা মেলে না। সেতুর ওপরে দুই পাশে পথচারী ও যানবাহন চলাচল করতে মারাত্নক সমস্যায় পড়তে হয়।প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর এবং শুক্রবার ও সোমবার সাপ্তাহিক হাটবারে দিন গুলোতে ব্রিজের দুই পাশে দোকানিদের সংখ্য আরওবেশি হয় দুর্ভোগ চরমে যেয়ে পৌঁছায়।ব্রিজটির পূর্ব পাশে চিত্রা নদীর মধ্যে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঝুঁকিপূণর্ ভাবে কয়েকটি গরু মাংস বিক্রির দোকান বসানো হয়েছে। এই দোকানের ক্রেতারা ব্রিজের পাশে নির্মিত ফুটপাতের উপর দাঁড়িয়ে মাংস কেনার কারণে অনেক ক্ষেত্রে পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করতে পারে না। ব্রিজের দুই পাশেই হকাররা দোকান বসিয়েছেন। কেউ ভ্যানের উপরে, কেউ আবার ব্রিজের উপর, কেউ চট পেতে দোকানের মালামাল সাজিয়ে করছেন বেচা বিক্রি।রিকশা চালক মোতালেব হোসেন, জিয়ারুল ইসলাম বলেন,আগে এত যানজট ছিল না। ব্রিজ চালু হওয়ার পরেই যানজট বেশি হয়েছে। ব্রিজের উপর অনেকেই দোকান দিয়ে বসেছে। যে কারণে রাস্তা চিকন হয়ে গেছে। যে কারনে চলাচলে আমাদের কষ্ট হয়।আবার মালবোঝাই ট্রাক,পিকআপ, আলমসাধু,বিচালি বোঝাই ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন দিনে চলাচল করতে গিয়ে শহরটি ব্যাপক ভাবে জ্যামে সৃষ্টি হয়। এই দৃষ্টি নন্দন দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন চলাচল করে থাকে। তাদের ও পড়তে হয় মারাত্নক সমস্যায়।বিশেষ করে স্থানীয় প্রশাসন এ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করে ও রহস্য জনক কারনে হকার ও বিক্রেতাদের দোকান সরানোর বিষয়ে কিান পদক্ষেপ গ্রহন করে না।

সচেতনমহল বলছেন জনসাধারনের চলাচলের জন্য চিত্রা নদীর উপরে ব্রিজটির সৌন্দর্যই নষ্ট করে দিয়েছে অবৈধ ভাবে দখল করা হকার এবং মাংসের দোকানদা ব্যবসায়িরা। এতে করে সর্বসাধারণের চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি জচ্ছে। ফলে তীব্র্র যানজটে নাকাল সাধারণ মানুষ। যে কারণে কোনো অবস্থাতেই এটা হতে দেয়া যেতে পারে না এমন টি মন্তব্য করেন অনেকেই।শহরের ১৮ কোটি টাকার ব্রিজটি এখন হকার ও ভ্রাম্যমান ব্যবসায়িদের দখলে। 

কালীগঞ্জ পৌর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আসাদুজ্জামানসহ কমিটির নেতৃবৃন্দ অনেকবার ব্রিজের দুপাশে এবং উপরে দোকান অপসারণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। কালীগঞ্জ উপজেলা আইন শৃংখলা মিটিংংে অনেকবার এ বিষয়ে আলাচনা হয়েছে কিন্তু কোন এক রহস্যোর কারনে এসব উচ্ছেদ করতে পারেনি।কালীগঞ্জ পোৗর প্রশাসক ও বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে