রাজনীতির মাপকাঠি যখন কেবল ক্ষমতা বা পদ-পদবি নয়, বরং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, জনকল্যাণে সম্পৃক্ততা এবং কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতায় নির্ধারিত হয়, তখন সীতাকুণ্ডের মানুষের আলোচনায় বারবার উঠে আসে সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী এফসিএর নাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও কারাবাসের অধ্যায় অতিক্রম করেও জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক অটুট রাখা এই নেতাকে অনেকেই সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন ও মানবসেবার অন্যতম মুখ হিসেবে বিবেচনা করেন।
স্থানীয়দের মতে, তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা আসলাম চৌধুরী সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি তাকে জনমানুষের নেতা হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
শিল্পসমৃদ্ধ জনপদ সীতাকুণ্ডের অর্থনৈতিক বিকাশে তার অবদান নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। শিল্প ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বিভিন্ন সময়ে তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা। তাদের মতে, শিল্পাঞ্চল হিসেবে সীতাকুণ্ডের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে তিনি বরাবরই উৎসাহ দিয়ে আসছেন।
শিক্ষা খাতেও রয়েছে তার বিশেষ অবদান। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং শিক্ষা বিস্তারে তার পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মনে করেন, শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখার কারণে তিনি এ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
মানবিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও তিনি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন। করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহযোগিতা এবং সামাজিক সংকটে দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
দীর্ঘদিন কারাবাসের পর এলাকায় ফিরে আসার সময় তার প্রতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও সমর্থনের বহিঃপ্রকাশও ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়, বরং জনগণের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, সীতাকুণ্ড বর্তমানে শিল্পায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে জনমুখী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের বিশ্বাস, সংসদ সদস্য হিসেবে আসলাম চৌধুরী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবেন।
তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয়। আর সেই পরিচয়কে ধারণ করেই অধ্যাপক আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।