মানবতা রক্ষায় দ্বাপর যুগে কংশ রাজাকে বস করে পূর্নিমা তিথিতে হয় রাধা কৃষ্ণের পরম প্রেম। সেই থেকেই মূলত রাস উৎসবের প্রচলন। তবে প্রায় দুইশ বছর ধরে কলাপাড়ার মদনমোহন সেবাশ্রম মন্দির ও কুয়াকাটার রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে পৃথক আয়োজনে রাস উৎসব পালন করে আসছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এরই ধারাবাহিকতায় (৪ নভেম্বর) মঙ্গলবার পূর্নিমা তিথিতে রাত ৯ টা ২২ মিনিটে অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রাস পূজার আনুষ্ঠানিকতা। পরের দিন বুধবার সন্ধ্যা ৭ টা ০৬ মিনিটে এ তিথি শেষ হলেও সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা সৈকতে গঙ্গাস্নান শেষ করবেন পুণ্যার্থীরা। এর পর মন্দিরের আঙ্গিনায় ১৭ জোরা রাধা কৃষ্ণের যুগল প্রতিমা দর্শন করবেন তারা।
কলাপাড়া শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের সভাপতি দিলীপ কুমার হাওলাদার জানান, এ উৎসব উপলক্ষে কলাপাড়ার মন্দির প্রাঙ্গন, কুয়াকাটার মন্দির প্রাঙ্গন ও সৈকতে অস্থায়ীভাবে বসবে শতাধিক পোশাক, প্রসাধনী, খেলনা ও গৃহস্থালী সামগ্রীর দোকান। কুয়াকাটায় ৩ দিন ব্যাপী উৎসব হলেও কলাপাড়ায় এ উৎসব চলবে ৫ দিন। এসব দোকান থেকে ৫ দিনে অন্তত ১০ লাখ টাকার পন্য সামগ্রী বিক্রির আশা করছেন আয়োজকরা।
কুয়াকাটা শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সহ-সভাপতি ডা.নারায়ন চন্দ্র হাওলাদার জানান, শেষ সময়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে ১৭ জোড়া যুগল প্রতিমা। এছাড়া প্যান্ডেল গোছানো এবং আনুসঙ্গিত কাজও শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন এই আয়োজকরা।
উৎসব উপলক্ষে ১ লাখ পূন্যার্থী সমাগমের আশা করছেন উপজেলা প্রশাসন। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারা নিচ্ছেন নানা পদক্ষেপ। (সিংক:কাউসার হামিদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কলাপাড়া।)