কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর-নিকলী-৫ আসনের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মাসুক মিয়া কৃষক দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় নিকলী ও বাজিতপুর বাসী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি নিকলী উপজেলার সদর ইউনিয়ন সহ ৭টি ইউনিয়নে গত সাড়ে ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিবাদ সরকারের নির্যাতনে মধ্য থেকেও মাঠ ছাড়েননি। নিকলী উপজেলার ও বাজিতপুর উপজেলার দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করলে তিনি অর্থ দিয়ে নিরীহ নেতাকর্মীদের রক্ষা করেছেন বলে এলাকার নেতা কর্মীদের কাছে তিনি এখনও পর্যন্ত মধ্যমনি হয়ে আছেন। এছাড়া যেকোন সময় এই দুই উপজেলার গরীব দুঃখী মানুষ, বিয়ে পার্বন অনুষ্ঠানে অর্থদানসহ বিভিন্ন ভাবে মানুষদের সহযোগিতা করে আসছেন। উল্লেখ্য, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন এবং সৎ, নির্ভীক ও মামলা হতে নেতাকর্মীদের রক্ষা করেছেন তারাই মনোনয়ন পেতে পারেন। যারা ২০১৪ ও ২০২৪ সালে নির্বাচন বর্জন করেছেন এবং নবীন ও প্রবীণদের এলাকার মানুষের মধ্যে যাদের গ্রহণযোগ্যতা বেশি রয়েছে তারাও মনোনয়ন পেতে পারেন বলে এ কথাগুলো বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে শনিবার নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের হাফসরদিয়া শাহপুর ও বনমালী গ্রাম বাসীদের মধ্যে বাউল গান নিয়ে তর্ক বিতর্কে এক পর্যায়ে একপক্ষ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলার বিষয়টি মঙ্গলবার জারইতলা ইউনিয়নে রসুলপুর গ্রামের অধিবাসী ও কৃষকদলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাসুক মিয়ার মাধ্যমে মিমাংসা করে দেন। এছাড়াও তিনি এই উপজেলার মানুষদের ও জনগণের মধ্যে সৃজনশীলতার হয়ে আছেন বলে এলাকার মধ্যে জনশ্রুতি রয়েছে। রসুলপুর গ্রামের তার কর্মী সমর্থকরা বলেন, আলহাজ্ব মোঃ মাসুক মিয়া কে যদি দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে দুই উপজেলার শান্তি শৃঙ্খলা বিরাজ করবে বলে তারা আশা পোষন করেন। কৃষক দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাসুক মিয়া যায় যায় দিন কে বলেন, তিনিও দল থেকে মনোনয়ন চাইবেন। দল যাকে চূড়ান্ত করবে তার পক্ষেই তিনি কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন।