রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য হাবিবুর
রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এক সভা শনিবার (২৮জুন)
অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে ইউনিয়নের দামনাশ বাজারে এক বিক্ষোভ
মিছিল শেষে দামদান বাজারে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মাষ্টার
এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হবি। এসময় চেয়ারম্যান
হবিবর বলেন, বাগমারার নাককাটি বিলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
যখন খাল খনন উদ্ধোধন করেন তখন আমি সেখানে ছিলাম। তারপর থেকেই
বিএনপির রাজনীতি করে আসছি। বিএনপি করার দায়ে আমার ইটভাটার
লাখ লাখ কাঁচা ইট আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভেঙ্গে নষ্ট করে ফেলে।
আওয়ামীলীদের আমলে বিএনপি করার দায়ে পুলিশ আমার বিরুদ্ধে বেশ
কয়েকটি মামলা দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করে চোখ বেঁধে নিয়ে যায়
রাতের অন্ধকারে। জেলা বিএনপির আহŸায়ক আবু সাঈদ চাঁদ এর সঙ্গে
কারাবরন করেছি। আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল মিথ্যাচার করছে।
ওই ডিএম জিয়া মোহনপুরে বসে মোহনপুরের রাজনীতি করে। কেশরহাট
থেকে বাগমারার ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ
সম্পাদক আবদুস সালাম, আহসান হাবিব, সাবেক ইউনিয়ন যুবদলের
সভাপতি আল মামুন, ফিরোজুল ইসলাম রাজু, সাবেক ছাত্র নেতা
আনোয়ার পারভেজ, সাবেক ছাত্র নেতা রেজাউল ইসলাম প্রমূখ।
কৃষকদল নেতা উজ্জ্বল হোসেন এর সঞ্চালনায় এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ
সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আজাদ সরদার, রাশেদুল
ইসলাম, জবান আলী, আবদুর রউফ প্রমূখ।
সভায় বক্তারা দলের একটি অংশকে কুচক্রী বলে আখ্যায়িত করে তাদের
সর্তক করেন। দলের জনপ্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করে
বিএনপির জন্য কাজ করার আহŸান জানান। এর পরেও মিথ্যা তথ্য ছড়ালে
সমীচীন জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেন।
বিএনপির গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক
আহসান হাবিব বক্তব্য অপপ্রচারের জন্য দলের উপজেলা শাখার আহŸায়ক
ডিএম জিয়াউর রহমানকে দায়ি করে তাঁকে বহিষ্কারের দাবি
জানিয়েছেন। এসময় ডিএম জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে তাকে দল থেকে
বহিস্কারের দাবি জানিয়ে ¯েøাগান দেওয়া হয়। গোবিন্দপাড়া
ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিকে পকেট কমিটি উল্লেখ করে তা বাতিল
করে প্রকাশ্যে ইউনিয়নে এসে কমিটি গঠনের দাবি করেন। কেশরহাটে
বসে গোবিন্দপাড়ার রাজনীতি জনগন মেনে নিবেনা বলে বক্তব্যে তুলে
ধরা হয়।
এর আগে বিগত আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হকের
সঙ্গে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের ছবি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ বলে
প্রচার করা হয়। গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে
আওয়ামী লীগ, সিপিবি ও বিএনপির সমর্থক তিন প্রার্থী
প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন। এদের মধ্যে বিএনপির হাবিবুর রহমান চেয়ারম্যান
নির্বাচিত হন। বিগত সরকারের সময়ে পাঁচটি রাজনৈতিক মামলায়
কারাভোগ করেন। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা মামলাগুলোর বাদী।