রাজশাহী পুঠিয়ায় ভ্যানচালকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশ এখনো পর্যন্ত হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। অপরদিকে মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ,কয়েকজন সম্ভাব্য খুনির নাম পরিবারের পক্ষ হতে পুলিশকে বারবার বলা হয়ে ছিল। কিন্তু ইতোমধ্যে প্রবাসী আসরাফুল ইসলাম নামের চিহ্নিত হত্যাকারী ভ্যানচালক সোহেল রানাকে হত্যা করে থানা পুলিশের সঙ্গে সমঝোতা করে পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কান্দ্রা গ্রামের জেকেরের মোড়ের একাধিক ব্যক্তি জানায়, ভ্যানচালক প্রবাসী আসরাফুলের স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পরকিয়া করে আসছিলেন। আসরাফুল বিদেশ থেকে সীমিত ছুটিতে এসে হত্যা করে চলে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি রয়েছে। মৃত ব্যক্তির বাবা লিলতাব হোসেন বলেন, আমার হত্যার পরের দিনই ্আমরা জানতে পারি আসরাফুল নামের প্রবাসী সরাসরি জড়িত আছে। আমরা থানা পুলিশকে হত্যার দ্বিতীয় হতে বলে আসছি। তারপরও আমার ছেলেকে হত্যা করে বিদেশে চলে গেলো। পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক রাশেদুল জামান হিরু বলেন, প্রবাসী আসরাফুল ইসলাম প্রবাসে চলে যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির পবিারের সদস্যরা আমাকে জানিয়েছেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর পুঠিয়া সদর ইউনিয়নের কান্দ্রা গ্রামের জেকেরের মোড় এলাকায় রাতে ভ্যানচালক উপজেলার শাহাবাজপুর জরমডাঙ্গা গ্রামের লিলতাবের ছেলেকে শ্বাসরোধ করে হত্যার করে।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন বলেন,ভ্যানচালক হত্যার মামলাটি তদন্ত চলছে। প্রবাসী কোনো ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ হতে বলেনি।