বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী শনিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক সেমিনারে যোগ দিয়ে বললেন, “বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১৮ মাসে এক কোটি মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করবে। কীভাবে সেই কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই প্রস্তুত রয়েছে।”
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনের আগে ইশতেহার প্রকাশের চেয়ে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি করাই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ কতোটা ইশতেহার পড়ে ভোট দেয়, তা নিয়ে আমার সংশয় আছে। গণতন্ত্রের মূল বিষয় হলো নিয়মিত আলোচনা। জনগণের কথা সবসময় বলতে হবে। আট বছর আগে বেগম খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ উপস্থাপন করেছিলেন। সময়ের পরিবর্তন বিবেচনায় আমরা ২৭ দফা ও পরে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি-যা সরাসরি সাধারণ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হয়েছে।”
‘দীর্ঘ আলোচনার পর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সনদ সই হয়েছে। ভিন্নমতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। ঐকমত্য ভেঙে নতুন ইস্যু তোলা মানে সেই ঐক্যের প্রতি অসম্মান’-যোগ উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “কিছু রাজনৈতিক দল জোর করে নিজেদের দাবি চাপিয়ে দিতে চায়। শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের শাসনে অনেকের মধ্যে স্বৈরাচারী মানসিকতা জন্ম নিয়েছে। কিন্তু সনদ বাস্তবায়নও ঐকমত্যের ভিত্তিতেই হতে হবে। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদে এসে অন্যদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়।”
বিএনপির এ নেতা প্রশ্ন তোলেন, “যারা নির্বাচন বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা কি ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন ঘটনা ঘটাচ্ছে? এমন প্রশ্ন এখন অনেকের মনেই আছে।”