নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পরিচয়পত্রের নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। আঙুলের ছাপ, চোখের মণির প্রতিচ্ছবি এবং প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে ভোটার হওয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। একই দিনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও তার এনআইডি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, দুপুর ১২টা ২৬ মিনিটে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার মা ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে প্রবেশ করেন। নির্ধারিত কক্ষে প্রয়োজনীয় ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক কার্যক্রম শেষে তারা ১২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে ভবন ত্যাগ করেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটার নিবন্ধনের আবেদন ফরমের সঙ্গে হাতের দশ আঙুলের ছাপ এবং আইরিশের প্রতিচ্ছবি সংগ্রহ করা হয়। পুরো প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হয়। ওই দিন দুপুর ১টার দিকে তারেক রহমান নিজেও ভোটার নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশন ভবনে পৌঁছান।
প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ করা যায়, ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালে দেশে প্রথমবার ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। সে সময় তারেক রহমান কারাগারে ছিলেন। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়ার পর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান তিনি এবং দীর্ঘদিন দেশে না ফেরায় জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের পর তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান দেশে ফিরে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হন। এর ধারাবাহিকতায় এবার তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের এনআইডি নিবন্ধনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হলো।