ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে। উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এই চুরির ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় সরাইল থানায় মৌখিক ভাবে অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক কাজী আশরাফুর রহমান। প্রধান শিক্ষকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা চুর সনাক্তের পরও গ্রেপ্তার না হওয়ার কথা জানিয়েছেন। ফলে ৪ দিন পরও উদ্ধার হয়নি কম্পিউটার গুলো। পুলিশ বলছেন, এ বিষয়ে আমরা লিখিত কোন অভিযোগ পায়নি। বিদ্যালয় থেকে কেউ কিছু জানাননি। চাউর রয়েছে স্থানীয় ভাবে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র।
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বিদ্যালয় থেকে ৬টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে। এতে করে বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল কাজে সমস্যা হচ্ছে। ৬টি কম্পিউটারের মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা হবে। চুরির ঘটনায় প্রধান শিক্ষক কাজী আশরাফুর রহমান সরাইল থানাকে মৌখিকভাবে অবগত করেন। ওদিকে চুর চিহ্নিত করার চেষ্টা করতে থাকেন। প্রধান শিক্ষক জানান, স্থানীয় গণ্যমান্য কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়ে ঘটনার পর থেকেই চুর সনাক্ত করার জন্য কাজ শুরূ করেন তারা। শেষ পর্যন্ত যাকে সন্দেহ করেছিলেন তাকেই তারা চুরির সাথে যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। তারা চুরকে সনাক্ত করতে পেরেছেন। সনাক্ত করা ওই চুরের নাম তারা পুলিশকে বলেছেন। প্রধান শিক্ষক কাজী আশরাফুর রহমান বলেন, আমরা যাকে চুরির সাথে জড়িত সন্দেহ করেছিলাম। আসলে সেই লোকটিই চুরি করেছে। চুরি হওয়ার পরই থানায় গিয়েছিলাম। চুরের নাম বলায় পুলিশ বলেছেন এটি তদন্তের সময় বলবেন। এখন পুলিশ আসলে আমরা চুরের নাম বলব। আপাতত একজনকে সনাক্ত করেছি। তার সাথে আরো কেউ আছে কিনা পরে জানা যাবে। আগামীকাল (আজ সোমবার) গ্রামবাসীকে এই বিষয়ে আলোচনার জন্য আবার বসব। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি বিদ্যালয়ের কেউ আমাদেরকে জানায়নি। লিখিত কোন অভিযোগও পাইনি। একজন ছাত্র পরিচয় দিয়ে ফোনে আমাকে বলেছিল। চুর সনাক্তের কথাও কেউ বলেননি।