ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ চলাচল বন্ধ

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) : | প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৬ পিএম
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ চলাচল বন্ধ

ঘণকুয়াশার কারণে ঢাকা-বরিশাল রুটসহ বরিশালের আভ্যন্তরীণ সকল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে আকস্মিক এ সিন্ধান্তে  চরম বিপাকে ও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন বরিশাল-ঢাকাসহ অভ্যন্তরিন রুটের হাজার হাজার যাত্রীরা। 

ফলে বাধ্য হয়েই লঞ্চঘাট ত্যাগ করেন কয়েক হাজার যাত্রী।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে-হঠাৎ করে ঘণকুয়াশার কারনে সারাদেশেই নৌ দূর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

ফলে নৌ যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আকস্মিক লঞ্চ চলাচল বন্ধের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌ-দূর্ঘটনা কমাতে ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত বরিশালের সাথে সারাদেশের নৌ চলাচল স্থগিত থাকবে।

বরিশাল নদী বন্দর থেকে রোববার রাত নয়টার দিকে এমভি এম খান-৭, এমভি পারাবত-১০, এমভি পারাবত-১২, সুরভী-৭ ও ভায়া রুটের পাঁচটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ার কথা ছিল। 

আকস্মিক লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করায় কেবিন যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

যাত্রীরা জানান, হঠাৎ লঞ্চ চলাচল বন্ধ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে ঢাকায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছেনা। 

এছাড়া সপ্তাহের প্রথমদিন হওয়ায় বাসের টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে তারা দ্বিগুণ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। 

এছাড়া জরুরী প্রয়োজনে অনেকে দুই থেকে তিন গুন অতিরিক্ত টাকা খরচ করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র সহকারী পরিচালক মো. সোলায়মান জানিয়েছেন- বরিশালের অভ্যন্তরিন রুটসহ সকল রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরবর্তী সিন্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সকল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। 

তিনি আরও বলেন যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এ সিন্ধান্তে গ্রহন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘণকুয়াশার কারনে গত ২৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ১৪ টি নৌ-যানের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় ছয়জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহতের ঘটনা ঘটেছে।

সর্বশেষ রোববার সকাল নয়টার দিকে ঘণকুয়াশার কারনে ঢাকা থেকে বরিশালের মুলাদীগামী যাত্রীবাহি এমভি মহারাজ-৭ লঞ্চের সাথে পণ্যবাহী জাহাজের সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছে। এসময় লঞ্চের একাংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে