বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বললেন, “তারেক রহমান মায়ের দেখানো পথেই দেশকে নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।” তিনি বলেন, “এই যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো সেই আদর্শকে ধারণ করা, যার জন্য তিনি (খালেদা জিয়া) দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর নিরন্তর সংগ্রাম করে গেছেন।”
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে আজ (৩ জানুয়ারি) খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাড়ে চার দশকের এক অনবদ্য রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে; যিনি গোটা জাতিকে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে জনগণের পাশে থাকতে হয় এবং অনেক সংকট ও হুমকির মুখেও জনগণকে ছেড়ে না যাওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।”
ফ্যাসিস্টরা তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজা প্রদান করে কারাগারে প্রেরণ করেছিল। তিনি পায়ে হেঁটে কারাগারে প্রবেশ করলেও সেখানে তার ওপর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কেন এই নেত্রী তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে পতিত হলেন তা আজ গোটা জাতির কাছে একটি বড় প্রশ্ন। যে নেত্রীকে একসময় পায়ে হেঁটে কারাগারে যেতে দেখা গিয়েছিল, পরে তিনি হুইল চেয়ারে করে সেখান থেকে বের হন ।
রিজভী আরও বলেন, তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত থাকলেও তার অটুট মনোবল, ধৈর্য এবং সাহস ছিল প্রবল। তার জানাজায় মানুষের যে অভূতপূর্ব জনস্রোত দেখা গেছে, তার মাধ্যমে এটিই প্রতীয়মান হয় যে আল্লাহ তাকে গৌরবান্বিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে অনেক কুরুচিপূর্ণ ও নোংরা কথা বলা হলেও তিনি তার সৌজন্যবোধের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, যারা এমন কথা বলে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
এ সময় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের নেতৃত্বে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।