আশাশুনি উপজেলার কচুয়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারপিট করে জখম ও পরবর্তীতে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে থানায় লিখিত এজহার দাখিল করেছেন। কচুয়া গ্রামের সাইদুল মল্লিকের ছেলে আতিকুর রহমান বাদী হয়ে একই গ্রামের ছিদ্দিক সরদারের ছেলে মনিরুল, ওসমান গনি, কন্যা সুফিয়া খাতুনকে আসামী করে দাখিলকৃত এজহার সূত্রে জানাগেছে, বাদী একজন ইলেকট্রিশিয়ান ও সেনেটারী মিস্ত্রী। কাজের সুবাদে প্রায় সময় তাকে বাড়ীর বাইরে থাকতে হয়। আসামীরা বাদী পক্ষের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি করে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী ও ক্ষয়ক্ষতি করে আসছে। গত ১৬ জানুয়ারী সকাল ৯.৩০ টার সময় বাদী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে আসামীরা বাড়িতে অনধিকারে প্রবেশ করে দুই মাসের অন্তঃসত্তা স্ত্রী ইয়াসমিন সুলতানাকে গালিগালাজ করতে থাকলে তার স্ত্রী মৌখিক ভাবে প্রতিবাদ করে। আসামী রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে স্ত্রীকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। তলপেটে লাথি মেরে গুরুতর জখম করায় রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে। গলায় শাড়ী কাপড় পেচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে। কাপড় ছিড়ে বেআব্রু করতঃ শ্লীলতাহানী ঘটায়। স্বর্ণের চেইন ছিড়ে নেয়। এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। স্ত্রীর ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে আসামীরা স্ত্রীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। গুরুতর জখম স্ত্রীকে স্থানীয় চিকিৎসা করানো হলেও রাত্রে পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে। ১৭ জানুয়ারী সকালে স্ত্রী টয়লেটে গেলে তার গর্ভের দুই মাসের জমাট বাধা রক্ত প্রসব করে। রক্তক্ষরণ অবস্থায় স্ত্রীকে দ্রুত আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম মারপিটের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, মোবাইল তারা নেয়নি মোবাইল ঘটনাস্থলে পড়ে গিয়েছিল।