ফুলবাড়ীর জুলাইযোদ্ধা ওবায়দুল হকের দোকান উদ্বোধন

এফএনএস (ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রাম) : | প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
ফুলবাড়ীর জুলাইযোদ্ধা ওবায়দুল হকের দোকান উদ্বোধন

জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুথ্থানে পুলিশের গুলিতে আহত কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার জুলাইযোদ্ধা ওবায়দুল হকের সার ও কীটনাশক দোকানের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার জুলাই যোদ্ধার গ্রাম ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী বাজারে ‘মেহেদী-মেরাজ ট্রেডার্স’ নামের এই দোকান ঘরের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন। পরে দোকান ঘরটির রহমত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রহমান। এ সময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শাহনাজ লাইজু চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি মেম্বার ফেরদৌস আলম, ধর্মপুর ময়নারতল জামে মসজিদের খতিব গোলাম মোস্তফা, স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ প্রসঙ্গে জুলাইযোদ্ধা ওবায়দুল হক জানান, আমি জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুথ্থানে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছি। গুলিতে আমার একটি হাত এখন অনেকটা বিকলঙ্গ। বিদেশে চিকিৎসা নিয়েও এখনো গুলিবিদ্ধ হাতটি স্বাভাবিক হয়নি।  কষ্টের মাঝেও নিজেকে ঘুরে দাঁড়াতে নিজের প্রচেষ্টায় সার ও কীটনাশক বিক্রির জন্য দোকান ঘর দিলাম। যা থেকে পরিবারের সদস্যদের ভোরণপোষণে জন্য কাজে লাগবে আমি প্রত্যাশা করছি। আমি সবার কাছে দোয়া চাই। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষ করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শরীক হয়ে রামপুরা টিভি সেন্টারের কাছাকাছি রামপুরা থানা সড়কের আলরাজী হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় বিকেল ৪ টায় পুলিশের এলোপাতারী গুলির শিকার হয় ওবায়দুল হক। 

পুলিশের গুলিতে ওবায়দুল হকের ডান কাঁধ ভেদ করে পিঠ দিয়ে গুলি বের হয়। ওই সময় মৃতপ্রায় গুরুতর রক্তাত অবস্থায় ওবায়দুল হককে ঢাকা মেডিকেলে, পরে সাভারের সিএমএম হাসপাতালে এবং পরে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পি,জি হাসাপাতাল) ভর্তি করা হয়। এখানে প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় হাসপাতালের বেডে শুয়ে তার সময় পার হয়। ওবায়দুল হকের দাবি ছিল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবি। অবশেষে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ হয়। সেখান থেকে চিকিৎসা গ্রহণ দেশে ফিরেছেন। এখন সে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে