ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ৩৩টি ইটভাটা। ৩৩ টি ইটভাটার মধ্যে কোন ইটভাটার পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে ঘনবসতি পূর্ণ আবাসিক এলাকা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে ও ফসলি জমিতে স্থাপন করা হয়েছে ।শুধু তাই নয়, ইট ভাটায় প্রকাশ্যে পোড়ানো হচ্ছে শত শত মন কাঠ। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি মারাত্নক হুমকির মুখে রয়েছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য। আইন অমান্য করে দিনের পর দিন ইটভাটার সংখ্যা বাড়লেও প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১০ কিমি মধ্যে ইটভাটা স্থাপনের উপর উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সংরক্ষতি বনাঞ্চলের ইউনিয়ন নাওগাঁয়ে তিন ভাটা গড়ে উঠেছে। তার মধ্যে একটি ইটভাটা গড়ে উঠেছে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁেষে। ইটপোড়ানো কাঠের ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ শিশু শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে অভিযোগ দেয়া হলেও আজ পর্যন্ত কোন প্রতিকার হয়নি। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশেই বালুঘাট বাজারে নিকটে বছরের পর বছর ধরে চলছে একটি ইটভাটা। ইটভাটার চুল্লির চেয়ে উঁচু করে ফসলী জমির মাটির উপরের স্তর কেটে স্তপ করা হচ্ছে। এ নিয়ে কেউ কোন কথা বলেনি আজ পর্যন্ত। জানা যায়, ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় ইটভাটার সংখ্যা ৩৩টি এর মধ্যে ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় পৌরসভায় ৩টি, নাওগাঁও ২টি, পুঠিজানা ১টি, বালিয়ান ২টি, দেওখোলা ৬টি, ফুলবাড়ীয়া ২টি, এনায়েতপুর ১টি, কালাদহ ১টি, রাধাকানাই ৮টি, আছিম-পাটুলী ৩টি, ভবানীপুর ৪টি, সহ এ উপজেলায় ৩৩টি ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে। ফুলবাড়ীয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন , কৃষি জমিতে ইটভাটা নির্মাণের অনুমতি কৃষি বিভাগ থেকে দেওয়া হবে না। ফসলী জমির উপরের স্তরের মাটি কেটে নেয়ায় কয়েক বছর ঐ জমিতে কোন ফসল ভাল হয় না। এসব ই্টভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী বলে মনে করেন ঐ কর্মকর্তা।