আশাশুনি উপজেলার পারিশামারী গ্রামের হিমাদ্রী কুমার রায় দিং দীর্ঘ ৪৫ বছরের ক্রয়কৃত ও ভোগদখলীয় জমি ভ্রমাত্মক রেকর্ডের সুবাদে প্রতিপক্ষের জবর দখলের জন্য হুমকী ধামকীতে চরম বিপাকে পড়েছেন। মৃত প্রফুল্ল কুমারের ছেলে হিমাদ্রী কুমার গাইন ওরফে রায় দিং জানান, তারা ১৯৮০ সালে ৫০৭৩ নং কোবালা দলিলে ৫২ শতক, ৪৭৩২ নং দলিলে ৬৩ শতক ও ৪৮৫৪ নং দলিলে সাড়ে ৩৬ শতক মোট ১ একর সাড়ে ৫২ শতক জমি ক্রয় করেন। সেই থেকে অদ্যাবধি হিমাদ্রী কুমার গাইন ওরফে রায় দিং জমিতে ভোগ দখলিকার হিসাবে মৎস্য চাষ ও লীজ প্রদান করে উপসত্ত্ব ভোগ করে আসছেন। তিনি বলেন আমরা স্কুলকে কোন জমি দেয়নি, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের জমির সাথে আমাদের জমি ভ্রমাত্মক ভাবে স্কুলের নামে রেকর্ড করিয়ে নেয়। পরবর্তীতে জানতে পেরে আমরা বিজ্ঞ আদালতে দেং- ২৬৬/২৫ নং মামলা দায়ের করি। মামলাটি চলমান রয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারী মামলার পরবর্তী দিন ধার্য্য রয়েছে। তিনি বলেন, আমি মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) অন্য স্থানে কৃষি কাজে ব্যস্থ ছিলাম। এদিন সকালে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিরাজ মোহন রায় ও ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চু লোকজন নিয়ে আমাকে ফোন করেন। আমি সেখানে গেলে বলেন আপনার কাগজপত্র নিয়ে ২১ জানুয়ারী ইউএনও অফিসে বসাবসি হবে সেখানে যাবেন। এসময় প্রধান শিক্ষক নানা রকম হুমকী ও মুখে প্রকাশ অযোগ্য ভাষায় অশ্রাব্য কথা বলে। আমরা তাদের কথায় সংশয়গ্রস্থ হয়ে পড়েছি। আমরা প্রশাসের সহযোগিতা কামনা করছি। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর মোবাইল বন্ধ থাকায় কথা বলা যায়নি।