আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে ফকরাবাদ মৌজায় সার্জেন্ট (অবঃ) আঃ রাজ্জাকের জমি জবর দখল ও মিথ্যা-হয়রানী মূলক মামলা দায়েরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফকরাবাদ গ্রামের মৃত আফিল উদ্দীন গাইনের ছেলে সার্জেন্ট (অবঃ) আঃ রাজ্জাক জানান, তিনি বর্তমানে কুয়েতে সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। তিনি ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মৃত হামিদ সরদারের ছেলে রিন্টু, হারুন, মন্টু, মৃত সামাদ সরদারের ছেলে সাজ্জাত, মৃত শাহিন সরদারের ছেলে সাহাদাৎ ও আবুল হোসেনের নিকট থেকে ৭টি দলিলে ৬০ শতক জমি ক্রয় করেন। মিউটিশান ও খাজনাদি পরিশোধ করে জমিতে দখল গ্রহন করেন। আঃ রাজ্জাক বলেন, ২০২৫ সাল থেকে আমি কুয়েতে থাকা ও বাড়িতে না থাকার সুযোগে একই গ্রামের মৃত গনি সরদারের ছেলে মোজাম সরদার তার ক্রয়কৃত ৩২ শতক জমির সাথে ১৬১ ও ১৬২ দাগে আমার ৭ বিঘা জমি মৎস্য ঘেরের আওতায় নিয়ে হারির টাকা দেয়নি। ধান চাষের সময় আমরা ধান করে থাকি। এনিয়ে ২০১০ সালে থানায় বসাবসি হলে স্ট্যাম্পে লিখিত ভাবে জমিতে আর যাবেনা মর্মে অঙ্গীকার করেন। তখন আমিন দ্বারা জমি মেপে ভাগ করে দেয়। পরবর্তীতে আমার জমির পুকুরে জোরপূর্বক মাটি কাটলে আমি অতিঃ জেলা ম্যাচিস্ট্রেট আদালত সাতক্ষীরায় পি-৩৭৮/২৫ মামলা করলে ওসি আশাশুনি উভয় পক্ষকে শান্তি রক্ষার নোটিশ করেন। আদেশ অমান্য করায় ১৮৮ করি। আমি চাকুরীজীবি হওয়ায় কোন ঝামেলায় না গিয়ে ধান চাষ করে ভোগজাত করে আসছি। কিন্তু মোজাম সরদার আমি ছুটিতে বাড়ি আসলেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। এপর্যন্ত ৮টি কেচ করেছে। যা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এবারও একই ঘটনা ঘটিয়েছে। গত ১ জানুয়ারী মোজাম সরদার বাদী হয়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ এনে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিঃ আদালত, সাতক্ষীরায় পি-০৩/২৬ (আশাঃ) মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা ন্যায্য জমি পেতে ও হয়রানীর হাত থেকে রক্ষা পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। এব্যাপারে মামলার স্বাক্ষী জোৎস্না খাতুন জানান, ১ জানুয়ারী আমি বাড়ি ছিলাম না। আর এখানে কোন ঘটনা ঘটেনি। এলাকার কেউ এমন কোন ঘটনা জানেনা। আমাকে স্বাক্ষী করা হয়েছে, তাও আমি জানিনা। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন আঙ্গুর বলেন, দু'জনের মধ্যে মনোমালিন্য আছে। এনিয়ে একাধিক মামলা হয়েছে। মানামারির কোন ঘটনা ঘটেনি। গ্রামের কেউ বলতেও পারবেনা। মামলার অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা বলে তিনি জানান। স্থানীয় কিনু গাইন জানান, ঐদিন আমি পাশে ধান কাটছিলাম। এখানে কোন মারামারি বা কোন ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদী মোজাম সরদার জানান, ১৬১ দাগে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি, যা ৫৮ বছর আমার দখলে। ও (আঃ রাজ্জাক) ফারাজী সম্পত্তি কিনেছে, আমার চৌহদ্দিকৃত জমি দখল চাচ্ছে লম্বালম্বি ভাবে। সে দাবীকৃত স্থানে কোন জমি পাবেনা বলে তিনি জানান।