আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে জামায়াতের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠকের জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, “জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের মোবাইল নম্বর ও এনআইডি কার্ড সংগ্রহের খবর অসত্য। এটি একটি বড় রাজনৈতিক দলের অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা।”
জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, “এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনি কাজে বাধা দিচ্ছেন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শিক্ষক যদি প্রার্থী হতে পারেন, নির্বাচনি কাজে কেন নয়? এটি আইনবহির্ভূত কাজ বলে মনে করে না জামায়াত।”
তিনি বলেন, “জামায়াতের নারী কর্মীরা নির্বাচনের কাজে বের হলে তাঁদের ওপর হামলা ও অসম্মান করা হচ্ছে। একটি দলের পক্ষ থেকে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ বিষয়ে ভালো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।”
এহসানুল মাহবুব এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, “জুলাই চার্টারে আছে উচ্চকক্ষে নারী প্রতিনিধি ৫ শতাংশ থাকবে। এবার নারী প্রার্থী দেয়নি জামায়াত, সামনের বার দেবে। নারীরা নিজেরাই প্রার্থী হতে আগ্রহ দেখান না সামাজিক বাস্তবতায়। তাঁরা রাজনীতিতে আছেন কিন্তু প্রার্থী হতে চান না। নারীদের বাধ্য করা হয় না। জামায়াতে সবচেয়ে বেশি নারী কর্মী আছে-৪০ শতাংশ।”
ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ঠিকমতো স্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এহসানুল মাহবুব জানান, সব কেন্দ্রে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ রোধে সিসিটিভি ক্যামেরা চায় জামায়াত। কিছু এলাকায় নির্বাচনি কর্মকর্তার ভূমিকা দেখে মনে হয়েছে তাঁরা পক্ষপাতদুষ্ট।