চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির সাবেক যুগল মহাসচিব ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ও বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই গণসংযোগে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
সকালে প্রায় ৯টায় মুরাদপুর ইউনিয়ন থেকে গণসংযোগ শুরু করেন অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে তিনি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এরপর দুপুর ২টা থেকে তিনি বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে গণসংযোগে অংশ নেন।
মুরাদপুর ইউনিয়নের গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গাজী মো. সুজা উদ্দিন, ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান হিরু, সদস্য সচিব গিয়াসুল মাহমুদ চৌধুরী তসলিম, মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ মুন্নাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের অংশগ্রহণে গণসংযোগটি প্রাণবন্ত রূপ নেয়
অন্যদিকে বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের গণসংযোগে অংশ নেন বিএনপি নেতা ডা. কমল কদর, জয়নাল আবেদীন দুলাল, অহিদুল ইসলাম চৌধুরী শরীফ, আবু জাফর ভুঁইয়া, মোহাম্মদ ইসমাইল, জসিম উদ্দিন মেম্বার, শামসুল আলম মেম্বারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
গণসংযোগকালে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, বিএনপি দেশ সেবার সুযোগ পেলে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে সীতাকুণ্ডকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া হবে। এখানে কোনো হানাহানি বা দলীয় বিভেদ নয়, সীতাকুণ্ডই হবে আমাদের একমাত্র অগ্রাধিকার।
তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষের প্রকৃত চাহিদা ও সমস্যাকে সামনে রেখেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি দেশ ও গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকতে হবে।
এই গণসংযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়। অনেক ভোটার জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সমস্যাগুলোর সমাধানে একজন জনবান্ধব, সৎ ও সাহসী নেতৃত্ব প্রয়োজন, যার প্রতিফলন তারা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর মধ্যে দেখতে পাচ্ছেন।
গণসংযোগ শেষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের রায়ে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হয়ে সীতাকুণ্ডের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।