আশাশুনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কৃষক ও মৎস্যচাষীর মৎস্য ঘেরের বাঁধ কেটে নোনা পানি ঢ়ুকিয়ে ধান ও মাছের ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া প্রতিবন্ধী পুত্রকে মারধর, কর্মচারীকে প্রাণনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে। এব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার বাটরা গ্রামের আলহাজ্ব ছহিল উদ্দীন সরদারের ছেলে আব্দুল জব্বার সরদার বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত গফুর সরদারের ছেলে মিলন সরদারের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগে প্রকাশ, বাটরা ও বালিয়াপুর মৌজায় বাদীর খরিদা, পৈত্রিক ও ভোগ দখলীয় ৩ বিঘা সম্পত্তিতে মৎস্য ঘের আছে। যাতে ধান ও মাছের চাষ করা হয়।মৎস্য ঘেরের পাশে বিবাদীর অনু: ৯ শতক সম্পত্তি আছে। বিবাদী বাদীর শত্রুপক্ষীয় লোকজনের পরামর্শে বাদীর সম্পত্তি জবর দখল পূর্বক মৎস্য ঘের করবে বলে দীর্ঘদিন ষড়যন্ত্র করে আসছে। চলতি মৌসুমে বাদী তার সম্পত্তিতে ইরি ধান রোপন করেছে। বিবাদী শত্রুতা বশতঃ গত ২৭ জানুয়ারী বেলা ২ টার সময় বাদীর মৎস্য ঘেরের বাধ কেটে নিয়ে নুনা পানি ঢ়ুকিয়ে দেয়। জানতে পেরে বাদীর প্রতিবন্ধী পুত্র হাবিবুল্লাহ বাহার ঘটনাস্থলে গিয়ে পুনরায় বাধ নির্মানের চেষ্টা করলে তারা কিল, ঘুষি মেরে হাবিবুল্লাহর শরীরে ফোলা জখম করে এবং ঘেরের কর্মচারী সিরাজুল ইসলামকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ খুন জখমের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়। বাধ কাটায় অনুঃ ২২,০০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তারা বাদী ও বাদীর পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে সায়েস্থা করবে বলে ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করে। বিবাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানান হয়েছে। এব্যাপারে আশাশুনি থানায় যোগাযোগ করা হলে জানান হয়, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।