যশোরের অভয়নগরে নওয়াপড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (পদ স্থগিত) আসাদুজ্জামান জনি’র স্থগিত হওয়া পদ পূণর্বহাল ও কারাগার থেকে জামিনে মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসাদুজ্জামান জনি মুক্তি পরিষদের আয়োজনে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, আসাদুজ্জামান জনি মুক্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আকরাম আক্তার কোরাইশী পাপ্পু। লিখিত বক্তব্যে কারাগারে আটক আসাদুজ্জামান জনির দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম ও ত্যাগের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন, গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার ও ভোটাধিকার আদায়ের দীর্ঘ সংগ্রামে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট তাকে হত্যাসহ গুমের চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়। এবং তার নামে ১৮টি মামলা দিয়ে বার বার কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, হামলা, মামলা ও মৃত্যুর হুলিয়া মাথায় নিয়েও আসাদুজ্জামান জনি বিএনপির দুঃসময়ে অভয়নগরের রাজপথে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে নের্তৃত্ব দিয়ে দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন। সাধারণ নেতাকর্মীদের সব ধরণের বিপদে পাশে থেকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। লিখিত বক্তব্যে পাপ্পু আরো বলেন, দলীয় নির্যাতিত-নিপীড়িত নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে আসাদুজ্জামান জনি আস্থা ও ভরসার প্রতীক। কিন্তু ভোটাধিকার ফিরে আসার সংগ্রাম সফলের পর একটি কুচক্রিমহলের ষড়যন্ত্রে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সেই ভরসাস্থল আসাদুজ্জামান জনি ষড়যন্ত্রমূলক মালায় দীর্ঘ ৬ মাসে ধরে কারাগারে রয়েছেন। ভোটের প্রচারে ও ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ৮৮ যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ভোটের মাঠে আসাদুজ্জামান জনিকে খুবই প্রয়োজন। আসাদুজ্জামান জনি মুক্তি পরিষদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার মুক্তির জন্য দেশের আইন ও বিচার বিভাগ এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপির উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিআকর্ষণ করার পাশাপাশি তার স্থগিতকৃত দলীয় পদ পূণর্বহলের জন্য বিএনপির নীতি নির্ধারকদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আসাদুজ্জামান জনি মুক্তি পরিষদের সভাপতি ও চলিশিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বেগ সোনা, নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ, বিএনপি নেতা সম্্রাট হোসেন বাবু, আলতাফ হোসেন, জহির রায়হান, সাইদুজ্জামান সাগর, যুবদল নেতা হারুন অর রশিদ, ছাত্রদল নেতা নয়ন হোসেন, আসাদুজ্জামান জনির ছোট ভাই শ্রমিক নেতা সাইফুজ্জামান টনি সহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মী।