ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ২ ফেব্রুয়ারী সৈয়দপুরে গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষ্যে ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ঘোষিত দেশব্যাপী হ্যাঁ ভোটের ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে নীলফামারী ও রংপুর জেলার ক্যাম্পেইনে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এসময় তিনি সৈয়দপুর শহরের পুলিশ বক্সের সামনে প্রদত্ত বক্তব্যে বলেন, নতুন সম্ভাবনার ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে হলে অবশ্যই হ্যাঁ ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে। তাহলেই আগামীর স্বপ্নময় বাংলাদেশে জনগনের সরকার গঠনের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রকৃত ধারা প্রবাহিত হবে। নয়তো পতিত ফ্যাসিষ্টের গ্যাড়াকলেই আবার প্রিয় জন্মভূমি নিপতিত হবে। সৈয়দপুরে ক্যাম্পেইনকালে তার সাথে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এজিএস ফেরদৌস আল হাসান, ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল হুদা, ছাত্রশিবির নীলফামারী শহর সভাপতি মাজেদুর রহমান, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের ১১ দল সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, সৈয়দপুর শহর জামায়াতের আমীর শরফুদ্দিন খাঁন, সেক্রেটারী মাওলানা ওয়াজেদ আলী প্রমুখ। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আরও বলেন, স্বাধীনতার আজ ৫৫ বছর ধরে আমরা উত্তরবঙ্গবাসী অবহেলিত। সমুহ সম্ভাবনা থাকা সত্বেও শুধুমাত্র যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা না থাকায় পদে পদে বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে রংপুরসহ এই জনপদের মানুষদের। আমরা আর এই ধারা চলতে দিতে পারিনা। একারণেই ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট তারুন্য নির্ভর সৎ ও যোগ্য নেতাদের সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা তাদের ভোট দিয়ে দেশপ্রেমিক সরকার গঠনের জন্য সংসদে পাঠাবো। এরই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর এই আসনটিও সময়ের কান্ডারী ডা. শফিকুর রহমানকে উপহার দিতে হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম ভাইকে বিজয়ী করবো ইনশাআল্লাহ। আর বৈষম্যহীন আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য অবশ্যই গণভোটে হ্যাঁ কে বিজয়ী করবো। কারণ হাঁ মানে আজাদী আর না মানে গোলামী, হাঁ মানে হাদী আর না মানে মোদি। আমরা আমাদের দেশকে আর কখনই অন্য দেশের তাবেদারীর জন্য কোন দলকে লীজ দিতে চাইনা। এজন্য হাঁ ভোটের মাধ্যমে গণমানুষের অধীকার নিশ্চিত করাসহ সার্বিক সংষ্কারের মাধ্যমে কাঙ্খিত সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এজন্য ভোটের দিন প্রথমেই হ্যাঁ ভোট নিশ্চিত করে তারপর ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় সীল মারবো। এতে দেশ ও সরকার সমানতালে দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে। এর আগে সাদিক কায়েম ঢাকা থেকে এয়ার স্টার বিমানযোগে সৈয়দপুরে এসে পৌছেন। এখানে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দলীয় নেতাকর্মীরা। এরপর তিনি পুলিশ বক্সের সামনে এসে গণভোটের হ্যাঁ এর পক্ষের ক্যাম্পেইন শুরু করেন। এসময় শহরের শহীদ ডা. কিজরুল হক সড়ক ও শেরে বাংলা সড়কে গণসংযোগের অংশ নেন। পরে তিনি নীলফামারী-২ (সদর) আসনের জন্য নীলফামারী শহরে এবং নীলফামারী-৪ আসনের অপর উপজেলা কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়া দেন। নীলফামারী শহরের শহীদ মিনারে বেলা ২ টা ও কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে বিকাল ৫ টায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন। ওই দুই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।