আ.লীগের সাথে ভারতীয় মিডিয়াও প্রতিনিয়ত অপতথ্য ছড়াচ্ছে: প্রেস সচিব

এফএনএস অনলাইন: | প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
আ.লীগের সাথে ভারতীয় মিডিয়াও প্রতিনিয়ত অপতথ্য ছড়াচ্ছে: প্রেস সচিব
ছবি, সংগৃহিত

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ‘পলিসি কনক্লেভ অন মিসইনফরমেশন: চ্যালেঞ্জেস টু গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক নীতিসংলাপে বললেন, ভারতীয় মিডিয়া এবং আওয়ামী লীগ প্রতিনিয়ত অপতথ্য ছড়াচ্ছে।

সচিব শফিকুল আলম বলেন, “ভারতের অনেক পত্রিকা রয়েছে, যারা কোনোদিন বাংলাদেশ নিয়ে সঠিক তথ্য দেয়নি। আমরা দেখেছি আনন্দবাজারের মতো পত্রিকাও মিথ্যা তথ্য দিয়েছে; অথচ তারা ভারতে সর্বাধিক পঠিত বাংলা পত্রিকা। ভারত খুব পরিকল্পিতভাবে এই মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন ছড়াচ্ছে।”

তিনি বলেন, “আমরা সবাই ডেমোক্রেসি চাচ্ছি। এর বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী গ্রুপ কাজ করছে। আমাদের চ্যালেঞ্জটা আসছে মিসইনফরমেশন এবং ডিজইনফরমেশন থেকে। ভুয়া তথ্য ছড়ানোর এই চর্চা লোকাল সোর্স এবং আউটসাইড থেকেও হয়। প্রথমবারের মতো আমরা দেখলাম গত ১৮ মাসে ভারতীয় মিডিয়া বাংলাদেশকে নিয়ে ভয়াবহ রকমের মিসইনফরমেশন ছড়াচ্ছে। এটা ভয়াবহ ছিল। গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের কোনো সরকার এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। তারা প্রতিদিন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে। এটা কী তারা নিজেরাই করছে, নাকি এর অলক্ষ্যে কেউ কলকাঠি নাড়ছে? 

প্রেস সচিব বলেন, “আমরা একটা স্মুথ ট্রানজিশন (ক্ষমতার পালাবদল) করতে চাই। একটা ভালো নির্বাচন করতে চাই। আমরা একটি গণতান্ত্রিক যুগ দেখতে অধীর আগ্রহে আছি। কিন্তু বাইরে ইমেজ তৈরি করে দেয়া হচ্ছে-এখানে গণতন্ত্র এলেও সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়। ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে-বড় রাজনৈতিক দলের কোনো রাজনৈতিক অধিকার রাখা হচ্ছে না। ইন্ডিয়ান মিডিয়া এবং আওয়ামী লীগ এটা অহরহ করছে। এটা করে তারা আমাদের সরকার এবং গণতন্ত্রকে হুমকিতে ফেলছে।”

দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান বলেন, তথ্য হচ্ছে সংবাদের কাঁচামাল। তথ্য মানেই কিন্তু সংবাদ নয়। এই তথ্য দিয়েই সংবাদের ভিত্তি গড়ে ওঠে। আমাদের অবশ্যই ভুল তথ্য সংশোধনের উপায় আছে, কিন্তু ইচ্ছাকরে তথ্য বিকৃত করার এই চর্চা থেকে আমাদের বের হতে হবে। এটা করতে হলে কতগুলো জায়গা আমাদের ঠিক করতে হবে। আমরা বলি ‘গণমাধ্যম’, কিন্তু দীর্ঘদিন আমরা গণমানুষের কথা বলিনি। এর মাধ্যমে আমরা একটা পক্ষকে প্রমোট করার চেষ্টা করেছি। আরেক পক্ষকে শেষ করে দিতে চেয়েছি। এটা অপতথ্যের একটি অংশ। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার শেষ হওয়ার পরও আমরা সেই চিন্তা-চেতনা থেকে বের হতে পারিনি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে