রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদায় ১৬৯তম টিআরসি জুন-২০২৫ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ) এই সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অভিবাদন গ্রহণ করেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্রিন্সিপাল ও অ্যাডিশনাল আইজিপি জনাব মোঃ তওফিক মাহবুব চৌধুরী বিপিএম। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন শেষে বিভিন্ন বিষয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। এই ব্যাচে মোট ৪১৮ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে পঞ্চগড়ের ১১ জন, দিনাজপুরের ৪০ জন, লালমনিরহাটের ১৫ জন, নীলফামারীর ২৩ জন, গাইবান্ধার ৩১ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ১৭ জন, রংপুরের ৩৯ জন, কুড়িগ্রামের ২৬ জন, যশোরের ৩৪ জন, সাতক্ষীরার ২৬ জন, মেহেরপুরের ৯ জন, নড়াইলের ৯ জন, চুয়াডাঙ্গার ১৪ জন, কুষ্টিয়ার ২৫ জন, মাগুরার ১২ জন, খুলনার ৩০ জন, বাগেরহাটের ১৫ জন, ঝিনাইদহের ২৪ জন এবং ফেনীর ২১ জন গত ০৬ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি. একাডেমীতে যোগদান করেছিলেন। কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জনাব রতন বালা। প্রশিক্ষণে অসাধারণ সাফল্যের জন্য বেস্ট টিআরসি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন পিএ/৭৩৪ টিআরসি আবু বক্কর ছিদ্দিক। বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড পান পিএ/৬২০ টিআরসি মোঃ জাহিদ হাসান, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন পিএ/৪৪৪ টিআরসি মোঃ মিলন ইসলাম এবং বেস্ট শ্যুটার নির্বাচিত হন পিএ/২৪১ টিআরসি মোঃ মোমিনুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ শেষে নবীন সদস্যদের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে। ডিএমপিতে ৭৪ জন, এপিবিএনে ১১১ জন, সিএমপিতে ৬ জন, আরএমপিতে ৪৮ জন, ঢাকা রেঞ্জে ৪৯ জন, রাজশাহী রেঞ্জে ৫২ জন, খুলনা রেঞ্জে ৬৬ জন এবং শিল্পাঞ্চল পুলিশে ১২ জন দায়িত্ব পালন করবেন। চার মাসব্যাপী কঠোর মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে নবীন সদস্যদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি নবীন পুলিশ সদস্যদের সততা, মানবিকতা ও পেশাদার মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।