আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার জন্য কুমিল্লার- ১০ আসন নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও সরকারি-বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামের তালিকা দায়িত্ব পালনের জন্য নেয়া হয়।গত সোমবার ওই তালিকায় প্রকাশ করে প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষকদের কে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে কয়েক জন নন এমপিও শিক্ষককে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় । এ ছাড়া মাধ্যমিক স্কুলের সিনিয়র শিক্ষকদেরকে পুলিং অফিসার, মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের কে সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে করে শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসারের নিকট কিছু শিক্ষক গতকাল মঙ্গলবার মৌখিক অভিযোগ করেন। প্রিজাইডিং অফিসারের তালিকায় নাম থাকা ধাতীশ্বর আহমেদ দেলোয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ প্রভাষক মনির আহমদ সাংবাদিকদের বলেন আমার এখনো এমপিও হয়নি, এমপিও প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবুল কাশেম বলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আমাদেরকে যেভাবে তালিকায় দিয়েছে আমরা শিক্ষকদের বেতন গ্রেড অনুযায়ী প্রিজাইডিং অফিসারের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছি। এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিজা আক্তার বিথী বলেন, আমাকে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ যে তালিকা দিয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা তালিকা করেছি, কে এমপি ভুক্ত শিক্ষক ও নন এমপিভুক্ত শিক্ষক আমরা তা জানি না। আমরা এটা দেখব তাদেরকে রাখা যাবে কিনা, বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।