বছরের শুরু থেকেই আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। ব্যবসাও করেছে বিশ্বব্যাপী। ওটিতিতে-তে মুক্তির পরেও সিনেমা হলে ধরে রেখেছে জমজমাট আয়। ৫৯তম দিনেও প্রায় ১৩০০ কোটি আয় করেছে ‘ধুরন্ধর’। তাই ভক্তেরাও মুখিয়ে ছিল ‘ধুরন্ধর ২’-এর জন্য। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ‘ধুরন্ধর ২’-এর টিজার, যেখানে রণবীর সিং ওরফে হামজা আলিকে দেখা গেছে আরো ভয়ংকর ও আগ্রাসী রূপে। তার সঙ্গে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল এবং অক্ষয় খান্না। তবে টিজার মুক্তির উন্মাদনার মাঝেই বড় আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়ল ছবির টিম। দক্ষিণ মুম্বাইয়ের ফোর্ট এলাকায় শুরু হয়েছে ছবিটির দ্বিতীয় ভাগের শুটিং। পাকিস্তানের লিয়ারি শহরের আদলে সাজানো হয়েছে ওই এলাকা। কিন্তু শুটিং চলাকালীন বিনা অনুমতিতে ড্রোন ব্যবহার করার অভিযোগে নির্মাতা আদিত্য ধরের টিমের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুম্বাই পুলিশ। জানা গেছে, ফোর্ট এলাকা অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে পরিচিত। এখানে একাধিক সরকারি দপ্তর ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থাকায় সব সময় কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়। সেই কারণে শুটিং কিংবা ড্রোন ওড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয়। অভিযোগ, সেই অনুমতি না নিয়েই ড্রোন চালানো হয়েছিল। এই ঘটনায় এম আর এ মার্গ থানায় ছবির লোকেশন ম্যানেজার রিঙ্কু রাজপাল বাল্মিকীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২২৩ ধারা অনুযায়ী অভিযোগটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। নির্মাতারা কেন আগাম অনুমতি নেননি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রয়োজনীয় প্রটোকল অনুসরণ না করায় আদিত্য ধরের গোটা টিম এখন বেশ চাপের মধ্যেই রয়েছে। এই আইনি জটিলতা ছবির শুটিং ও মুক্তি সূচিতে প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ মুক্তি পাবে আগামী ১৯ মার্চ।